২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মিটেও মিটছে না সীমান্ত সমস্যা! প্যাংগং থেকে সেনা সরাতে ভারতকে ‘শর্ত’ দিল চিন

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: August 22, 2020 2:11 pm|    Updated: August 22, 2020 2:11 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বারবার ইঙ্গিত মিলেছে মিটে যাওয়ার। কিন্তু ভারত ও চিনের সীমান্ত সমস্যা কিছুতেই পুরোপুরি মিটতে চাইছে না। প্যাংগংয়ে ভারতীয় সীমান্ত থেকে সেনা প্রত্যাহারের জন্য এবার নয়া শর্ত দিয়েছে চিন। ভারতীয় সেনা (Indian Army) সেই শর্ত মানলেই তারা মে মাসের অবস্থানে অর্থাৎ প্যাংগংয়ে সেনা অভিযান শুরু করার আগের অবস্থানে ফিরে যেতে রাজি। যদিও বেজিং ঠিক কী শর্ত দিয়েছে, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে, প্যাংগং লেকের (Pangong Tso) ধারে ৫ নম্বর ফিঙ্গার পয়েন্ট পর্যন্ত মজবুত ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে চিন। সেখান থেকে সরার নামগন্ধ নেই। জুলাইয়ের শেষে পাওয়া উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে এই ছবিটাই সামনে এসেছে। বলা যেতে পারে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিচ্ছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)। দেখা গিয়েছে, প্যাংগংয়ের ৫ ও ৬ নম্বর ফিঙ্গার পয়েন্টে সেনা সংখ্যা বাড়িয়েছে চিন। একইসঙ্গে স্থায়ী পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে সেখানে। শুধু তাই নয়, উপগ্রহ ছবি বলছে, ওই এলাকায় সেনা আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে চিনারা। আসলে চিনের দাবি, তারা প্যাংগংয়ে, দেপসাংয়ে এখনও যতটা ঢুকে বসে রয়েছে সেটাই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা। কিন্তু চিনের আঁকা সীমান্তরেখা আসলে ভারতের ভূখণ্ডের অনেকটা ভিতরে। এই বাস্তবটাই মানতে চাইছে না পিপলস লিবারেশন আর্মি

[আরও পড়ুন: দক্ষিণ-চিন সাগরে মোতায়েন চিনা বোমারু বিমান, ভারতকে সতর্ক করল ভিয়েতনাম]

এ নিয়ে এর আগেও বিস্তর আলোচনা হয়েছে। শুক্রবার দুই দেশের আধিকারিকদের মধ্যে উচ্চস্তরের বৈঠকে অবশেষে চিনারা মে মাসের অবস্থানে ফিরে যেতে রাজি হয়েছে। যেটা অচলাবস্থা কাটার ইঙ্গিত। যদিও, সরকারি সূত্রের খবর চিনের এই পিছিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি শর্তসাপেক্ষ। আর শেষপর্যন্ত তাঁরা সত্যিই পিছিয়ে যাবে কিনা, সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। কারণ, ভারতীয় সেনার তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এপ্রিল মাসের স্থিতাবস্থা ফিরিয়ে না দিলে ভারতের পক্ষে চিনের কোনও শর্ত মানা সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, শুক্রবারের বৈঠকে ভারতের তরফে বিদেশ, স্বরাষ্ট্র এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। চিনের তরফেও ওই মন্ত্রকগুলির প্রতিনিধিরাই উপস্থিত ছিলেন। ভারতকে শর্ত দিলেও বেজিং স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাঁরা চায় না ভারত-চিনের সার্বিক সম্পর্কের কোনও অবনতি হোক।বৈঠক শেষে দুপক্ষই ফের ঘোষণা করেছে, আলোচনার মাধ্যমেই যাবতীয় সমস্যা মিটিয়ে ফেলা হবে।  

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement