Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Pharmaceutical Industry

চিন-মার্কিন শুল্কযুদ্ধে ভারতের পোয়াবারো! বিশ্বজুড়ে ব্যবসা বাড়াচ্ছে ভারতীয় ফার্মা সংস্থাগুলি

গবেষণা ও উৎপাদন খাতে খরচ কমাতে ভারতকে প্রাধান্য দিচ্ছে পাশ্চাত্যের সংস্থাগুলি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৫, ২০:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৫, ২০:০৫

options
link
চিন-মার্কিন শুল্কযুদ্ধে ভারতের পোয়াবারো! বিশ্বজুড়ে ব্যবসা বাড়াচ্ছে ভারতীয় ফার্মা সংস্থাগুলি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকা ও চিনের শুল্কযুদ্ধে পোয়াবারো ভারতের। বেজিংকে ছাপিয়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য বাড়াতে শুরু করেছে ভারতের ওষুধ সংস্থাগুলি। একাধিক ভারতীয় সংস্থা বিদেশি সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ওষুধ প্রস্তুত করতে শুরু করেছে। এই ঘটনায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে চিন। ওষুধ রপ্তানি ক্ষেত্রে বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বেজিং।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমস-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সুভেন ফার্মাসিউটিক্যালস, সিনজিং ইন্টারন্যাশনাল, ওরিজেন ফার্মাসিউটিক্যালস-এর মতো ভারতীয় সংস্থাগুলি ব্যাপকভাবে নিজেদের ব্যবসা বাড়াতে শুরু করেছে আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলিতে। লক্ষ্য অত্যন্ত স্পষ্ট, পশ্চিমের দেশগুলির চিন নির্ভরতা কমিয়ে ভারতের আধিপত্য বাড়ানো। এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের সমস্ত ক্ষেত্রে নিজেদের অংশীদারিত্ব বাড়ানো। জানা যাচ্ছে, ভারতীয় সংস্থা সুভেন এনজে বায়ো ইনকর্পোরেটেড নামে এক মার্কিন ওষুধ সংস্থার বড় শেয়ার কিনেছে। এই সংস্থাটি আমেরিকার প্রিস্টনে অবস্থিত। গবেষণার পাশাপাশি ক্যানসারের চিকিৎসার ওষুধ তৈরি করে সংস্থাটি। এই বিদেশি সংস্থায় ৬৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে ভারতের সংস্থা।

Advertisement

পিছিয়ে নেই সিনজিং ইন্টারন্যাশনাল। আমেরিকার বাল্টিমোরে অবস্থিত এমার্জেন্ট বায়ো সলিউশনস নামে একটি সংস্থা ৩৬.৫ মিলিয়ন ডলারে কিনেছে এরা। ওই বিদেশি সংস্থা প্রোটিনজাতীয় ও জিন সংক্রান্ত রোগের ওষুধ প্রস্তুত করে। শুধু তাই নয়, ভারতের একাধিক ছোটবড় ওষুধ সংস্থা পশ্চিমের দেশগুলিতে বড়বড় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ শুরু করেছে। আমেরিকা ও ইউরোপে পা জমাতে শুরু করেছে ভারত। ইউরোপও চাইছে নিজেদের বিস্তার ঘটাতে এবং শুল্কের গেরো কাটিয়ে ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে হাত মেলাতে। বিদেশের মাটিতে ভারতীয় ওষুধ সংস্থাগুলির আধিপত্য বিস্তারের নেপথ্যে রয়েছে আমেরিকা ও চিনের মধ্যে চলতে থাকা শুল্কযুদ্ধ।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে চিনা পণ্যের উপর ২০০ শতাংশের বেশি শুল্ক চাপিয়েছিল আমেরিকা। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে ৩০ দিনের জন্য শুল্কের খাঁড়ায় স্থগিতাদেশ জারি হলেও দুই দেশের এই টানাপোড়েনে সতর্ক হয়ে উঠেছে আমেরিকা ও ইউরোপের ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি। দীর্ঘদিনের চিরাচরিত সরবরাহ শৃঙ্খলে পরিবর্তন ও চিন নির্ভরতা কমাতে তৎপর হয়ে উঠেছে তারা। ঠিক এই সুযোগটাই হাতিয়ার করেছে ভারত। এদিকে ৩০ দিনের মধ্যে দেশের ওষুধ সংস্থাগুলিকে ওষুধের দাম কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই অবস্থায় চিনের সঙ্গে অংশীদারিত্বে ও শুল্কের বোঝা কাঁধে দাম কমানো বেশ কঠিন মার্কিন সংস্থাগুলির জন্য। তাই সংস্থাগুলি ওষুধ প্রস্তুতিতে ভারতকে প্রাধান্য দিচ্ছে। যাতে গবেষণা ও উৎপাদন খাতের খরচ কমতে পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.