Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৬ জুলাই ২০২৬

ফের চিনের আগ্রাসন, উত্তরাখণ্ডের বারাহোতিতে অনুপ্রবেশ চিনা সেনার

এক সপ্তাহে চার বার ভারতীয় ভূখণ্ডে লাল ফৌজ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০১৭, ১২:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০১৭, ১২:১৪

options
link
ফের চিনের আগ্রাসন, উত্তরাখণ্ডের বারাহোতিতে অনুপ্রবেশ চিনা সেনার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডোকলাম ঘিরে ভারত-চিনের মধ্যে চূড়ান্ত টানাপোড়েন। দু’দেশের চাপানউতোরের মাঝেই উত্তরাখণ্ডের বারাহোতিতে ঢুকে পড়ল চিনা সেনা। নিয়ম ভেঙে জোর করে ভারতীয় ভূখণ্ডের প্রায় এক কিলোমিটার ভিতরে পৌঁছে যায় লাল ফৌজ। এক সপ্তাহে তারা চার বার ঢোকে। বিদেশি সেনা ফিরে গেলেও, চিনের আগ্রাসনে বেজায়  ক্ষুব্ধ ভারত।

[ডোকলাম নিয়ে তীব্র টানাপোড়েন, চিনা প্রেসিডেন্টকে মোদির শুভেচ্ছায় জল্পনা]

ম্যাকমোহন লাইনকে অস্বীকার। সীমান্তে ফের চিনের দাদাগিরি। এবার উত্তরাখণ্ডের বারাহোতি তাদের নিশানা। এমাসের ২০ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত চার বার চিনা সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ে। চামোলি জেলার বারাহোতিতে প্রায় ১ কিলোমিটার পর্যন্ত চিনা সেনা অনুপ্রবেশ করে। ইন্দো টিবাটিয়ান বর্ডার পুলিশ বা আইটিবিপিকে নিয়ে সম্প্রতি ওই এলাকায় সমীক্ষার জন্য গিয়েছিলেন চামোলির জেলাশাসক। তখনই তারা চিনা সেনার দৌরাত্ম্য আঁচ পান। বিপদ বুঝে চিনা সেনারা আর ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকেনি। সূত্রের খবর, প্রায় দু’ঘণ্টা ভারতের মাটিতে ছিল বিদেশি সেনা। এর আগে গত ১৯ জুলাই উত্তরাখণ্ডের আকাশে ঢুকে পড়েছিল চিনা সেনাবাহিনীর একটি চপার। যা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছিল। তার মধ্যে চিনের এই দাদাগিরিতে বিরক্ত ভারত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আমাদের কেউ হারাতে পারবে না, লালফৌজের প্রতিষ্ঠা দিবসে হুঁশিয়ারি জিনপিংয়ের]

চিনের সঙ্গে ৩৫০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে উত্তরাখণ্ডের। এর মধ্যে বারাহোতি বরাবরই চিনের টার্গেট। কারণ এখানকার ভৌগলিক অবস্থান। প্রায় ১৫ হাজার ফুট উঁচুতে থাকা এই এলাকায় নজরদারি চালানো ভারতের পক্ষে বেশ কঠিন। এক বছর আগে জুলাই মাসেই উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় ঢুকেছিল চিনা সেনা। সে সময় প্রায় ২০০ মিটার ভিতরে চলে এসেছিল দুই সেনা। ২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত শুধু উত্তরাখণ্ডে অন্তত ৩৭ বার চিনা সেনা অনুপ্রবেশ করেছিল। চিন বারাহোতিকে নিজেদের এলাকা বলে দাবি করে। ১৯৫৪ সাল থেকে এই এলাকা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। বারাহোতির ঘটনায় ওই এলাকার নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুধু উত্তরাখণ্ড নয়, অরুণাচলও একাধিকবার চিনের আগ্রাসনের কবলে পড়েছে। ২০১৩ সালে অরুণাচল প্রদেশে প্রায় ২৫০ চিনা সেনা ঢুকে পড়েছিল। ২০১৬ সালে ২৭৬ জন সেনা একবারে অনুপ্রবেশ করেছিল। আগেই অরুণাচলকে দক্ষিণ তিব্বতের অংশ বলে দাবি করেছিল চিন। সম্প্রতি ভুটানের ডোকলামে চিন গা-জোয়ারি শুরু করেছে। ডোকলাম থেকে ভারতীয় সেনাকে প্রত্যাহারের জন্য চিনে একের পর প্ররোচনামূলক মন্তব্য করছে। তবুও নয়াদিল্লি মচকায়নি। তবে উত্তরাখণ্ডের ঘটনা সম্পর্কের চোরাস্রোত কোন দিকে নিয়ে যায় তা নিয়ে কৌতুহল বাড়ছে বিশেষজ্ঞদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.