Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টে উঠছে কৃষ্ণসার-হত্যা মামলা, বিপাকে সলমন খান

ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে নায়ককে। তবে কি এবার তাঁর হাজতবাসের পালা?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০১৬, ১২:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০১৬, ১২:৩৫

options
link
সুপ্রিম কোর্টে উঠছে কৃষ্ণসার-হত্যা মামলা, বিপাকে সলমন খান zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে রাজি হল শীর্ষ আদালত। মুখে হাসিও ফুটল বসুন্ধরা রাজে সরকারের। প্রায় এক মাসের ব্যবধান হলেও রাজস্থান সরকারের আর্জি মঞ্জুর করল শীর্ষ আদালত। ফের আদালতে উঠল কৃষ্ণসার-হত্যা মামলা। এবং, কাঠগড়ায় উঠতে চললেন সলমন খান। ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে নায়ককে।
১৮ বছরের পুরনো চিঙ্কারা হরিণ শিকার মামলায় ২০০৭ সালে সলমনকে দোষী সাব্যস্ত করে এক বছরের জেল ও ৫ বছরের শর্তসাপেক্ষ কারাবাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল৷ এক সপ্তাহ যোধপুরের একটি জেলে থাকার পর জামিন পেয়ে গিয়েছিলেন দাবাং খান৷ তারপর উপযুক্ত প্রমাণ ও সাক্ষীর অভাবে রাজস্থান হাই কোর্ট সলমনকে এই মামলায় ক্লিনচিট দেয়৷ অক্টোবরে সেই রায়কেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজস্থান সরকার৷ তাদের দাবি, হরিণ শিকার কাণ্ডে ঘোষিত শাস্তির পুরোটাই হাজতে কাটাতে হবে সলমনকে৷
রাজস্থান হাই কোর্টের রায়ের পরেই খোঁজ মেলে সলমন খানের নিখোঁজ গাড়িচালকের। কৃষ্ণসার-হত্যা মামলায় যিনি ছিলেোন একমাত্র সাক্ষী। রাজস্থান সরকার তখনই জানিয়ে দিয়েছিল, সলমনের মুক্তির বিরু‌দ্ধে এই গাড়িচালকের বক্তব্যকে সঙ্গে রেখে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করবে তারা৷ সলমনের চিঙ্কারা শিকার অভিযানের একমাত্র সঙ্গী জিপচালক হরিশ দুলানিকে নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যবস্থাও করেছিলেন রাজস্থানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷
সব মিলিয়ে ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের মামলাটি এখনও বিচারাধীন৷ তবে এবার আশা করাই যায়, মামলাটির নিষ্পত্তি হবে।

Advertisement
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.