Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬

সংরক্ষণ ইস্যুতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় কোন্দল! ‘আগে ইস্তফা দিন’, এক মন্ত্রীকে বললেন আরেক জন

‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলনে’র মধ্যেই এবার সংরক্ষণ ইস্যুতে অন্য অস্বস্তিতে মোদি সরকার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১৯:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১৯:৪৯

options
link
সংরক্ষণ ইস্যুতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় কোন্দল! ‘আগে ইস্তফা দিন’, এক মন্ত্রীকে বললেন আরেক জন zoom
সংরক্ষণ বাঁচাও আন্দোলন। ফাইল ছবি।
Advertisement

‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলনে’র মধ্যেই এবার সংরক্ষণ ইস্যুতে অন্য অস্বস্তিতে মোদি সরকার। সংরক্ষণ নিয়ে ‘বিতর্কিত’ মন্তব্য করায় এক মন্ত্রীকে পদত্যাগ করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন আরেক মন্ত্রী। দুই মন্ত্রীই বিহারের এবং দু’জনেই দুই জোট শরিকের। প্রথম জনের নাম জিতন রাম মাঝি। দ্বিতীয় জন চিরাগ পাসওয়ান। সংরক্ষণ ইস্যুতে মাঝির এক মন্তব্যে চিরাগ পাসওয়ান এতটাই অখুশি যে জিতন রাম মাঝির ইস্তফা দাবি করে বসলেন তিনি।

আসলে সংরক্ষণ হটাও আন্দোলনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতন রাম মাঝি সম্প্রতি বেফাঁস দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, সংরক্ষণের যে সিস্টেম এখন দেশে চলেছে, সেটা এবার সত্যিই পুনর্বিবেচনার সময় এসেছে। আসলে জিতন রাম মাঝির দল হিন্দুস্তান আওয়াম পার্টির দীর্ঘদিনের দাবি, তফসিলি জাতি এবং উপজাতির যে সংরক্ষণ রয়েছে, সেটার মধ্যে আবার জাতির ভিত্তিতে আলাদা আলাদা সংরক্ষণ করতে হবে। কারণ বর্তমানে যে সংরক্ষণ পদ্ধতি চালু আছে, তাতে হাতে গোণা কিছু জাতি এবং হাতেগোনা কিছু মানুষ উপকার পাচ্ছেন। সমাজের নিচুতলায় যাঁদের সত্যিই সুবিধা পাওয়ার দরকার তাঁরা পাচ্ছেন না। সব সুবিধা কুক্ষিগত করে রাখছে তফসিলিদের মধ্যেকার ‘ক্রিমি লেয়ার।’ উদাহরণ হিসাবে মাঝি বলছেন, বিহারে সংরক্ষণের সব সুবিধা পান পাসওয়ান এবং রবিদাসরা। তাঁরা যে মুসাহারি সমাজের, সেই মুসাহারি সমাজ থেকে আজ পর্যন্ত একজনও আইএএস পর্যন্ত হতে পারেননি।

Advertisement

জিতন রাম মাঝির ওই মন্তব্যে বেজায় চটেছেন চিরাগ পাসওয়ান। চিরাগের দল আবার তফসিলি জাতি এবং উপজাতির মধ্যে আলাদা আলাদা উপশ্রেণির বিরোধী। তাঁর বক্তব্য, সার্বিকভাবে দলিত সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তবেই সার্বিকভাবে দলিতদের-পিছিয়ে পড়াদের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকবে। মাঝির মন্তব্যের প্রেক্ষিতে পাসওয়ান সোজা বলে দিচ্ছেন, “যারা বলছে ক্রিমি লেয়ার সব সুবিধা পাচ্ছে, তাঁরা তো নিজেরাই সংরক্ষণের সুবিধা নিয়ে মন্ত্রী হয়েছেন। তাহলে সবার আগে জিতন রাম মাঝির উচিত ইস্তফা দেওয়া। জিতন রাম মাঝির ছেলে সন্তোষ কুমার সুমনের (বিহারের মন্ত্রী) উচিত ইস্তফা দেওয়া। নিজেরা আগে সংরক্ষণের সুবিধা ছাড়ুন।”

চিরাগের বক্তব্য, এভাবে সংরক্ষণের মধ্যে আবার আলাদা করে সংরক্ষণ করলে সংরক্ষণের আসল উদ্দেশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি বলছেন, “এভাবে সমাজে ভাগাভাগি করলে সামাজিক ন্যায়ের ভাবনাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর দলিতদের আরও অপমানিত হতে হবে। এরপরও যদি ওদের ক্রিমি লেয়ার নিয়ে আপত্তি থাকে তাহলে সবার আগে মাঝি সাহেবের সরে দাঁড়ানো উচিত।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.