সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বৃহস্পতিবার বিহারের ঔরঙ্গাবাদ জেলায় ৪ সিআইএফএফ জওয়ানকে হত্যা করেন তাঁদেরই সহকর্মী বলবীর সিং৷ পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, ৩২ বছরের বলবীর মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন৷ বেশ কয়েকদিন ধরে মনবিদের কাছে তাঁর চিকিৎসা চলছিল তাঁর৷ তার জেরেই প্রাণ হারালেন চার জওয়ান৷
(পাকিস্তানকে জল না দিলে রক্ত বন্যা বইবে, মোদিকে হুমকি হাফিজের)
বৃহস্পতিবার চার সেন্ট্রাল ইনডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের জওয়ানকে নিজের বন্দুক দিয়ে গুলি করে হত্যা করেন বলবীর বলে খবর৷ প্রাণ হারান দুই হেড কনস্টেবল বাচা শর্মা ও অমরনাথ মিশ্র, অসিসট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর জিএস রাম এবং হবলদার অরবিন্দ রাম৷ জওয়ানের মা জানাচ্ছেন, ২০১০ সাল থেকেই মানসিকভাবে অসুস্থ হতে শুরু করেছিলেন তাঁর ছেলে৷ বন্ধু থেকে আত্মীয় সকলেই জানত সে কথা৷ সিআইএফএফ-কেও ছেলের শারীরিক অবস্থার কথা জানানো হয়েছিল৷ এবং তাঁর হাতে কোনও অস্ত্র না দেওয়ার অনুরোধও করেছিল পরিবার৷ বলবীরের ভাই জানান, “সিআইএফএফ-এর কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলাম যাতে ওর চিকিৎসার জন্য ছুটি দেওয়া হয়৷ ওর কাছে অস্ত্র না থাকলে এমন ঘটনা ঘটত না৷” তবে সিআইএফএফ-এর তরফে বলা হয়েছে, তাঁর মানসিক অসুস্থতার বিষয়ে তারা অবগত ছিল না৷ এমন কোনও রিপোর্ট তাদের কাছে জমা পড়েনি৷
(তেজ বাহাদুর কাণ্ডে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে রিপোর্ট জমা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের)
এই প্রথমবার নয়৷ জানা গিয়েছে, এর আগে ২০১১ সালেও বোকারোতে মেজাজ হারিয়ে গাড়ির চালককে গলা টিপে খুনের চেষ্টা করেছিলেন বলবীর৷ জওয়ানের দাদার উপস্থিতিতে সেই যাত্রায় বেঁচে যান চালক৷ ২০১৩-তে আবার বন্দুকের বাট দিয়ে স্ত্রীর মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিলেন বলবীর৷
সর্বশেষ খবর
-
নিজের নিরাপত্তা দিতে চেয়েছিলেন মমতা! এবার এনআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ‘মাছ চোর’ শওকত
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ
-
‘কলাকুশলীরা বেশি ভুগেছেন…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে কী বলছেন ‘বাজিগর’ অনির্বাণ?
-
তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে মহাভাঙন! আন্নামলাই, নাগার্জুনের পর দল ছাড়লেন সুমতি
-
অস্তাচলে তৃণমূলের সূর্য! ২৮ বছর পর ‘ছুটি’ পেলেন মমতার ‘বক্সীদা’