হেমন্ত মৈথিল, লখনউ: ৪৫ দিন ধরে চলতে থাকা মহাকুম্ভ মেলা শেষ হয়েছে বুধবার। রাত পেরতেই প্রয়াগরাজে ফের উপস্থিত হলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। অংশ নিলেন নদীর ঘাট পরিষ্কারের কাজে। মহাকুম্ভ নগরের আরাইল ঘাটে তাঁকে দেখা গেল সাফাইকর্মীদের সঙ্গে নদীতটে কাজে অংশ নিতে। সঙ্গে ছিলেন তাঁর মন্ত্রীরাও। যোগীকে দেখা গেল ঘাটে রেখে যাওয়া পুণ্যার্থীদের পোশাক-সহ নানা সামগ্রী সরাতে। আর এভাবেই শুরু হল ঘাট সাফাইয়ের কর্মযজ্ঞ।
এই সাফাই কর্মসূচিতে অংশ নিতে ভাসমান জেটিতে করে সঙ্গমে আসেন যোগী ও তাঁর মন্ত্রীরা। প্রথমে গঙ্গা, যমুনা ও লুপ্ত সরস্বতী নদীকে পুজো করেন মুখ্যমন্ত্রী। গঙ্গার দুগ্ধাভিষেক করার পর গঙ্গা আরতিও করতে দেখা যায় তাঁকে। তিনি সাধারণ জনতার মঙ্গলকামনায় প্রার্থনাও করেন। পরে সাফাই কর্মীদের সম্মানিত করেন মুখ্যমন্ত্রী। সম্মানিত করেন কুম্ভের দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্যকর্মীদেরও। পরে তাঁদের সঙ্গে দ্বিপ্রাহরিক আহারও সারেন তিনি।
উল্লেখ্যে, প্রয়াগরাজে এবারের মহাকুম্ভে কোটি কোটি মানুষ এসেছিলেন পুণ্যস্নান করতে। শেষদিন মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে ছিল বাড়তি উৎসাহ। এই ভিড়ের মোকাবিলা করতে প্রশাসন প্রস্তুত বলে আগেই জানিয়েছিল যোগী সরকার। ফের যাতে কোনওরকম অঘটন না ঘটে তা নিশ্চিত করতে মরিয়া ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা। পুণ্যার্থীদের যাতে কোনওরকম সমস্যায় না পড়তে হয় তা নিশ্চিত করতে সব রকম বন্দোবস্ত করা হয়। সতর্ক করা হয় পুলিশকেও। আর পুরো বিষয়টিই নজরে রেখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘ত্রিভুবনপতি ভগবান শিব এবং পবিত্র নদী মা গঙ্গা সকলের মঙ্গল করুন। এটাই আমার প্রার্থনা। হর হর মহাদেব।’
সর্বশেষ খবর
-
ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, স্কুলের প্রধানশিক্ষক-সহ ৫ জনের রক্তে লাল হল মাটি!
-
‘বেঁচে আছে তো?’ বেড়াতে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে নিঁখোজ কলকাতার ৬! উৎকণ্ঠায় পরিবার
-
মুহূর্তে ‘জলরাক্ষস’ গ্রাস করল স্ত্রী-পুত্রকে! নেপালের ব্যবসায়ীর দু’চোখে এখনও আতঙ্ক ও বিষাদ
-
ক্যামাক স্ট্রিটে ফের ঝুলল ‘বেআইনি’ হোর্ডিং! ‘যতদূর যেতে হয়, যাব’ পুলিশের সঙ্গে গাজোয়ারির পর হুঁশিয়ারি অভিষেকের
-
মহারাষ্ট্র পিএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ‘ফাঁস’! ব্যর্থ প্রেমকাহিনিতেই প্রকাশ্যে কেলেঙ্কারি