দশ বছরের ছোট্ট মেয়েটা খুন হয়েছে। সেই সংক্রান্ত সাংবাদিক সম্মেলনে হাস্যমুখ দুই পুলিশকর্তাকে দেখে অসন্তুষ্ট নেটিজেনরা। প্রশ্ন উঠছে, এমন গুরুতর বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হাসির অর্থ কী হতে পারে। তামিলনাড়ুতে রীতিমতো বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এহেন ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ক’দিন আগে তামিলনাড়ুর বাণিজ্যমন্ত্রীও একই বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে হেসে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন।
গত ২১ মে বিকেল থেকে পাওয়া যাচ্ছিল না কোয়েম্বাটোরের (Coimbatore Child Death) বাসিন্দা ছোট্ট মেয়েটিকে। শুরু হয় তল্লাশি। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয় অভিযুক্ত ৩৩ বছরের কে কার্তিকে। পুলিশের দাবি, এই যুবকই মেয়েটিকে লোভ দেখিয়ে নিয়ে যায়। তারপর তাকে যৌন হেনস্তা করে তাকে খুন করে। এরপর সে পালিয়ে গেলেও শেষপর্যন্ত তাকে খুঁজে পান তদন্তকারীরা। গ্রেপ্তারও করা হয়েছে তাকে।
আরও পড়ুন:
একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, আরভি রামিয়া ভারতী নামের এক পুলিশ ইনস্পেক্টর হাসছেন সাংবাদিক সম্মেলনে বসে। এবং আঙুলে আঙুল ঘষছেন। পাশে বসে থাকা ডিআইজি পি স্বামীনাথনও হাসছিলেন। এই মুহূর্ত সাংবাদিক সম্মেলন শুরুর ঠিক আগের। কেন এমন গুরুতর মুহূর্তে তাঁরা হাসছিলেন, প্রশ্ন ওঠে তা নিয়ে।
এর আগে একই কাণ্ড ঘটিয়েছেন তামিলনাড়ুর বাণিজ্যমন্ত্রী এস কীর্তানাও। একই বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলনের সময় তাঁকে হাসিমুখে কথা বলতে দেখা গিয়েছে। বিজেপির তোপ, এই বিষয়ে কথা বলার সময় হাসিমুখে কথা বলাটা অত্যন্ত অসংবেদনশীলতার লক্ষণ। যদিও কীর্তানার দাবি, তিনি হেসেছিলেন, সাংবাদিক সম্মেলন শেষ হয়ে যাওয়ার পরের কোনও এক মুহূর্তে। কিন্তু নতুন বিতর্কে দুই পুলিশ আধিকারিক কিন্তু হেসেছেন সম্মেলন শুরুর আগেই। তাঁরা বিতর্কের কী জবাব দেন, সেটাই এখন দেখার।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
প্রকৃতির রুদ্ররোষে নেপাল! ‘পাশে আছি’, বলেন্দ্র শাহকে ফোন মোদির, দিলেন সাহায্যের আশ্বাস
-
বাড়িতে কথার ফুলঝুরি, কিন্তু স্কুলে গেলেই চুপ! শুধুই লাজুক নাকি বড় সমস্যায় ভুগছে আপনার শিশু?
-
শ্যামৌপ্তির সঙ্গে সংসার ভাঙার গুঞ্জনের মাঝে অভিকার সঙ্গে প্রেম! মুখ খুললেন রণজয় বিষ্ণু
-
‘এবার কলকাতা পুরসভায় সনাতনী মেয়র’, বলছেন পুরভোটের ‘ইনচার্জ’ সুকান্ত মজুমদার
-
ভারতের সহজ জয়ের পথে ফের কাঁটা বৃষ্টি, ফলো অন বাঁচিয়ে লিড পেল শ্রীলঙ্কা