Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় জামিন পেলেন কর্নেল পুরোহিত

দ্রুত সেনাবাহিনীতেও ফিরতে চান তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৭, ০৬:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৭, ০৬:৫৯

options
link
মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় জামিন পেলেন কর্নেল পুরোহিত zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় ৯ বছর জেলে থাকার পর মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় সোমবার জামিন পেলেন মূল অভিযুক্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল শ্রীকান্ত প্রসাদ পুরোহিত। এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই কর্নেল পুরোহিতের জামিনের আরজি খারিজ করে দেয় বম্বে হাই কোর্ট। তারপরই সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।

কর্নেল পুরোহিতের হয়ে এদিন শীর্ষ আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী হরিশ সালভে। আদালতকে তিনি জানান, প্রায় নয় বছর ধরে জেলে থাকার পরও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট দায়ের করা হয়নি। এছাড়াও, তাঁর বিরুদ্ধে ‘মহারাষ্ট্র কন্ট্রোল অফ অর্গানাইজড ক্রাইম’ বা MCOCA-র মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে। তাই পুরোহিতকে জামিনে মুক্তি দিলে তদন্তের কোনও ব্যাঘাত হবে না। কর্নেল পুরোহিতের জামিনের তীব্র বিরোধিতা করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা(এনআইএ)।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement


উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে হেমন্ত করকরের নেতৃত্বে এই মামলার তদন্ত শুরু করে মহারাষ্ট্র পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা। ওই বছরই মুম্বই হামলায় শহিদ হন তিনি। তারপর ২০১১ সালে মালেগাঁও বিস্ফোরণের তদন্ত ভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ওই বিস্ফোরণের নেপথ্যে রয়েছেন কর্নেল পুরোহিত। শুধু তাই নয়, ‘অভিনব ভারত’ নামের একটি জঙ্গি সংগঠন তৈরি করে নাশকতা চালানোর অভিযোগও আনা হয় পুরোহিতের বিরুদ্ধে। যদিও সমস্তটাই ‘ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেন অভিযুক্ত। তাঁর বক্তব্য, জঙ্গি সংগঠনগুলির উপর নজর রাখতে ও হাঁড়ির খবর বের করে আনতেই তাঁকে নিযুক্ত করেছিল সেনা। অভিনব ভারতে যোগ দিয়ে তিনি সংগঠনটির গুপ্ত খবর বের করে আনতেন।

২০০৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর মুম্বই থেকে প্রায় ২৭০ কিমি দূরে মালেগাঁও কেঁপে ওঠে প্রচণ্ড বিস্ফোরণে। বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছিলেন সাতজন নিরীহ মানুষ, আহত হয়েছিলেন প্রায় শতাধিক। তারপরই তদন্তকারীদের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা সাধ্বী প্রজ্ঞা ও ভারতীয় সেনার কর্নেল পুরোহিত। ভারতে ‘হিন্দু সন্ত্রাসবাদ’ শাখা বিস্তার করছে এমনটাই অভিযোগ তুলেছিল তৎকালীন ইউপিএ সরকার। এদিন মুক্তির নির্দেশ পেতেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন কর্নেল ও তাঁর স্ত্রী। দ্রুত সেনাবাহিনীতেও ফিরতে চান তিনি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.