Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Congress MLA Controversy

সুন্দরী মেয়েদের দেখে ছেলেরা বিভ্রান্ত হয় বলেই এত ধর্ষণ! কংগ্রেস বিধায়কের মন্তব্যে বিতর্ক

ভান্দেরের বিধায়ক ফুল সিংহ বারাইয়ার আরও দাবি, তফসিলি জাতি, জনজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর সম্প্রদায়ের মধ্যে যে সব ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, তা অধিকাংশ সময়েই পুণ্যলাভের আশায় হয়ে থাকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৬:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৬:৫৭

options
link
সুন্দরী মেয়েদের দেখে ছেলেরা বিভ্রান্ত হয় বলেই এত ধর্ষণ! কংগ্রেস বিধায়কের মন্তব্যে বিতর্ক zoom
কংগ্রেস বিধায়ক ফুল সিংহ বারাইয়া।

রাস্তায় কোনও সুন্দরী মেয়েকে দেখলে ছেলেরা বিভ্রান্ত হন। তাই তাঁরা ধর্ষণ করে বসেন। দেশ জুড়ে ধর্ষণের ঘটনা বাড়তে থাকার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করে বসলেন মধ্যপ্রদেশের এক কংগ্রেস বিধায়ক (Madhya Pradesh Congress MLA)। ভান্দেরের বিধায়ক ফুল সিংহ বারাইয়ার আরও দাবি, তফসিলি জাতি, জনজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর সম্প্রদায়ের মধ্যে যে সব ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, তা অধিকাংশ সময়েই পুণ্যলাভের আশায় হয়ে থাকে। কংগ্রেস নেতার এমন মন্তব্যে স্বাভাবিক ভাবেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সমালোচনায় সরব হয়েছে বিজেপিও।

কেন এত ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে, তা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দীর্ঘ ভাষণ দিয়েছেন কংগ্রেস বিধায়ক। তাঁর দাবি, তফসিলি জাতি, জনজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর সম্প্রদায়ের মহিলারা ধর্ষিতা হন কারণ বিভিন্ন প্রাচীন পুঁথিতে কিছু বিকৃত ধারণা বর্ণিত রয়েছে। সেই সব পুঁথিকে উদ্ধৃত করে ফুল সিংয়ের দাবি, তীর্থযাত্রায় যে পুণ্যলাভ হয়, মহিলাদের ধর্ষণ করেও একই রকম পুণ্যলাভ হয় বলেই মনে করেন অপরাধীরা। বিধায়কের কথায়, “ভারতে সবচেয়ে বেশি ধর্ষণের শিকার তফসিলি জাতি, জনজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর সম্প্রদায়ের মহিলারা। ধর্ষণের তত্ত্ব হল, কোনও পুরুষ, যে কোনও মানসিক পরিস্থিতিতেই হোক, রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় যদি সুন্দরী মহিলাকে দেখেন, তাতে তাঁর মন বিভ্রান্ত হতে পারে এবং তিনি ওই মহিলাকে ধর্ষণ করতে পারেন। কিন্তু এসসি, এসটি, ওবিসি মহিলারা তো সুন্দর নন। কিন্তু তাঁরা ধর্ষিতা হন, কারণ এ সব প্রাচীন পুঁথিতে বলা আছে।”

Advertisement

তা হলে শিশুদের ধর্ষণ করা হয়? তারও ‘ব্যাখ্যা’ দিয়েছেন ফুল সিং। তিনি বলেন, “পুঁথিতে লেখা আছে, এসসি, এসটি, ওবিসি সম্প্রদায়ের কোনও মহিলার সঙ্গে সঙ্গম করলে তীর্থযাত্রার সমান পুণ্যলাভ হবে। কেউ যদি তীর্থযাত্রায় যেতে না পারেন, তাঁর কাছে পুণ্যের আর কী বিকল্প আছে? তখন তিনি রাতের অন্ধকারে এই সম্প্রদায়ের কোনও মেয়েকে টেনে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। সেই কারণেই চার মাস কিংবা এক বছরের শিশুরাও ধর্ষিত হচ্ছে।”

ফুল সিংয়ের এই মন্তব্যে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছে মধ্যপ্রদেশের রাজনীতিতে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় বিধায়কের মন্তব্যের থেকে দূরত্ব রচনা করেছে কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি জিতু পটওয়ারি বলেন, “ধর্ষণের ঘটনাকে কোনও ভাবে সমর্থন করা যায় না। যে ধর্ষণ করে, সে অপরাধী। এটার সঙ্গে জাতি বা ধর্মের কোনও সম্পর্ক নেই।” মধ্যপ্রদেশে বিজেপির মিডিয়া ইনচার্জ আশিস আগরওয়াল বলেছেন, ‘‘সৌন্দর্য দিয়ে মহিলাদের মাপা এবং দলিত-আদিবাসী মহিলাদের উপর জঘন্য অত্যাচারকে পবিত্র কাজ বলে দাবি করা আসলে নারীবিদ্বেষী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ এবং দলিত বিরোধী, সর্বোপরি মানবতা-বিরোধী।’’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.