ভারতকে মধ্যপ্রাচ্যের লড়াইয়ে জড়ানো যাবে না। কিন্তু সংঘাত ইতিমধ্যে এমনই চেহারা নিয়েছে যে তা এদেশ এবং প্রবাসী ভারতীয়দের জন্য অত্যন্ত গুরুতর পরিণতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। এমনই মন্তব্য কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের (Shashi Tharoor)। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলতে দেখা গেল তাঁকে। তাঁর দাবি, নয়াদিল্লিকে এখন যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে।
শশীকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”আমাদের দেশের নব্বই লক্ষ থেকে এক কোটি নাগরিক উপসাগরীয় অঞ্চলে বাস করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের জীবনকে সত্যিই প্রভাবিত করেছে। তাই আমরা উদাসীন থাকতে পারি না।” শশী মুখ খুলেছেন রুশ তেলা কেনা প্রসঙ্গেও। রুশ জলসীমায় আটকে থাকা তেলবাহী জাহাজগুলিকে ভারতে ফিরিয়ে আনার জন্য তিরিশ দিনের অনুমতি দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিরোধী দলগুলি এই বিষয়ে মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে। প্রশ্ন তুলেছে, এতে কি ভারতের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হচ্ছে না? এহেন অবস্থায় নয়াদিল্লির কি উচিত নয় ওয়াশিংটনকে কড়া বার্তা দেওয়া?
আরও পড়ুন:
শশী বলছেন, সরকারকে কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তাঁর কথায়, ”সমস্যা হল আমরা যদি এটা না করি তাহলে কী পরিণাম ভুগতে হবে? যে সব সংস্থা রুশ তেল কিনে মজুত করে রাখছে, ওই ছাড় ছাড়া তাদের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে। আর এর প্রভাব তাদের সমস্ত ব্যবসার উপর পড়বে। সুতরাং আমার মতে, একটা সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।”
বলে রাখা ভালো, বর্তমানে ভারতে ২৫ দিনের অপরিশোধিত তেল মজুদ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকেই ভারত অধিকাংশ তেল আমদানি করে। এবং ৪০ শতাংশ তেল আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। সেখানে অস্থিরতা সৃষ্টি হলে যে এদেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে, সেই আশঙ্কা অমূলক নয়। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ভারতকে তিরিশ দিনের অস্থায়ী ছাড় দিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পুরদলেও ফাটল, আইনি জটের আশঙ্কা, মমতার পছন্দে মেয়র বাছতে ‘সই’ দিলেন না অধিকাংশ কাউন্সিলর!
-
ছবির দেশ, কবিতার দেশে রূপকথা! ফরাসি ওপেনে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের স্বাদ জাভেরেভের
-
পাহাড় থেকে সমতল, ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলা! আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বাসিন্দারা
-
‘একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না’, বঙ্গে বৃহত্তর হিন্দু ঐক্যের বার্তা বনশলের
-
শ্বাস যন্ত্রে কিছুতেই ফুঁ দিতে পারছেন না মদ্যপ! চড় কষালেন পুলিশকর্মী, ভিডিও ঘিরে বিতর্ক