Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬

৫ হাজার কোটিতে সিমেন্ট সংস্থা ক্রয় আদানির, তাতেও মোদির হাত দেখছে কংগ্রেস

বন্ধুদের আরও ধনী করতে চেষ্টার কোনও কসুর করছেন না মোদি অভিযোগ কংগ্রেসের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৩, ১৪:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৩, ১৪:০৭

options
link
৫ হাজার কোটিতে সিমেন্ট সংস্থা ক্রয় আদানির, তাতেও মোদির হাত দেখছে কংগ্রেস zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর তরতর করে কমছিল সংস্থার জনপ্রিয়তা। শেয়ার বাজারে একের পর এক ধাক্কায় কমছিল সম্পদের পরিমাণও। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে আদানি গোষ্ঠী। ফের বিশ্বের ধনকুবেরদের মধ্যে প্রথম সারিতে উঠে এসেছেন গৌতম আদানি। তার প্রমাণও মিলল। আদানিদের অম্বুজা সিমেন্ট কিনে নিল সংঘী ইন্ডাস্ট্রিজের বৃহত্তর অংশীদারি।

সংঘী সিমেন্টের প্রায় ৫৭ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করেছে আদানি গোষ্ঠী। সংস্থার কর্ণধার রবি সঙ্ঘী এবং তাঁর পরিবারের অধীনে থাকা শেয়ারের পুরোটাই এবার আদানি গোষ্ঠীর হাতে যাচ্ছে। খরচ হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকা। হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর এটাই আদানিদের সবচেয়ে বড় অধিগ্রহণ। এরপর বাজার থেকেও ওই সংস্থার শেয়ারহোল্ডারদের থেকে বেশিরভাগ শেয়ার কিনে নেওয়ার ছক রয়েছে আদানিদের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বোনের লিভ ইন সঙ্গীকে নাপসন্দ! যুবকের মাথা থেঁতলে নদীতে ফেলল দাদারা]

কিন্তু আদানি গোষ্ঠীর এই বিরাট সাফল্যের নেপথ্যেও মোদির হাত দেখছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের অভিযোগ, এই অধিগ্রহণ পর্বেও সরকারি সংস্থার অপব্যবহার হয়েছে। কীভাবে আদানি গোষ্ঠী সঙ্ঘী ইন্ডাস্ট্রিজ অধিগ্রহণ করল? তার একটি ‘ক্রোনোলজি’ প্রকাশ করেছে হাত শিবির। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশের অভিযোগ, ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম সিমেন্ট উৎপাদক সংস্থা শ্রী সিমেন্টও সংঘী ইন্ডাস্ট্রিজের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েও ছিল। কিন্তু মোক্ষম সময়ে শ্রী সিমেন্টের দপ্তরে হানা দেয় আয়কর বিভাগ। তারপরই এই চুক্তি থেকে সরে আসে শ্রী সিমেন্ট। এরপর প্রায় ফাঁকা মাঠে গোল করে যায় আদানি গোষ্ঠী।

[আরও পড়ুন: জ্বলছে মণিপুর! শেষ ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৫ জনের]

কংগ্রেসের অভিযোগ, শ্রী সিমেন্টকে চুক্তি থেকে সরকারতে আয়কর বিভাগের অপব্যবহার করা হয়েছে। জয়রাম রমেশের দাবি, নিজের বন্ধুদের আরও ধনী করতে চেষ্টার কোনও কসুর করছেন না মোদি। বন্ধুদের সাহায্য করতে এবং বিরোধীদের ভাঙতে কেন্দ্রীয় এজেন্সির অপব্যবহারের দীর্ঘস্থায়ী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.