৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: দীর্ঘ টালবাহানা পর অবশেষে বের হল রফাসূত্র। বাংলায় সিপিআই(এম)-এর সঙ্গে জোট বেঁধে লড়তে রাজি হল কংগ্রেস। আসন্ন উপনির্বাচনে তিন বিধানসভা কেন্দ্রে হাতে-হাত রেখেই লড়বে বাম-কংগ্রেস জোট।

[আরও পড়ুন: তিরুপতির বাসের টিকিটে হজ যাত্রার বিজ্ঞাপন, হায়দরাবাদ জুড়ে বিতর্ক তুঙ্গে]

শুক্রবার কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। নিজেদের বক্তব্য সোনিয়ার সামনে তুলে ধরেন সোমেন। তাঁর সমস্ত বক্তব্য শোনার পর এবিষয়ে সবুজ সংকেত দেন সোনিয়া। রাজীব গান্ধীর ৭৫তম জন্মদিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দিল্লি এসেছেন সোমেন মিত্র। আগামী উপনির্বাচনে নিজেদের পরিকল্পনায় সিলমোহর দিতেই সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টায় ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। এদিন ১০ জনপথ রোডে সোনিয়ার বাসভবনে বৈঠকেই উপনির্বাচনে নিজেদের নীল নকশা তুলে ধরেন সোমেন। এরপর সোনিয়া জানতে চান, এই প্রস্তাবে বামেদের কী অবস্থান? জবাবে রাজ্য সভাপতি বলেন, বামেরা রাজি। তা শুনেই সম্মতি দেন সোনিয়া।

খড়গপুর ও করিমপুরের দুই বিধায়ক দিলীপ ঘোষ ও মহুয়া মৈত্র যথাক্রমে বিজেপি ও তৃণমূলের হয়ে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় এই দু’টি আসন ফাঁকা রয়েছে। কালিয়াগঞ্জ বিধায়ক প্রমথনাথ রায় চলতি বছর মারা যান। তাই এই তিন আসনের বিধায়ক পদের জন্য উপনির্বাচন আসন্ন। বামেদের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তায় তারা করিমপুর আসনে প্রার্থী দিতে চেয়েছে। যদিও গত লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে এই আসনে এগিয়ে কংগ্রেস। কিন্তু ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের বৃহত্তর লড়াইয়ের কথা মাথায় রেখে বামেদের এই আসন ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। বামেদের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়ায় ছাড়পত্র দেওয়ার পাশাপাশি প্রদেশ নেতৃত্বকে বেশ কিছু নির্দেশও দিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী। এই বছর রাজীব গান্ধীর ৭৫তম ও মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী। এই দুই উপলক্ষে সারাবছর রাজ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়ার নির্দেশ দেন রাজীবপত্নী।

[আরও পড়ুন: জোটেনি কোনও ভাতা, ১৯ বছর ধরে শৌচালয়ই ঠিকানা বৃদ্ধার]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং