Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

মহাজোটের নেতা রাহুলই, ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের

জোট গঠনের জন্য তৈরি হল কমিটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২২, ২০১৮, ১৯:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২২, ২০১৮, ১৯:৪৬

options
link
মহাজোটের নেতা রাহুলই, ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৯-এ বিজেপি বিরোধী মহাজোটের নেতা হোক রাহুল গান্ধীই। কার্যকরী কমিটির বৈঠকে এমনটাই দাবি তুললেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা। আঞ্চলিক দলগুলিকে এক ছাতার তলায় এনে বিজেপি বিরোধী মহাজোট তৈরির ফর্মুলাতেই শিলমোহর দিল কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নিয়ামক কমিটি। সেই সঙ্গে আগামী লোকসভা ভোটে রাহুলকেই দলের নেতা নির্বাচিত করে ফেলল কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি।

[বিজেপিকে হঠাতে কৌশলগত জোটের পক্ষে সওয়াল কংগ্রেসের]

আপাতত অন্য রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের কাজটি করে আসছেন সনিয়া গান্ধী। ইউপিএ চেয়ারপার্সনের পদেও রয়েছেন সনিয়া। কিন্তু কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে যা ইঙ্গিত মিলল তাতে আগামিদিনে জোট গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে দলের সভাপতিকেই। ইতিমধ্যেই রাহুল নাকি একটি কমিটিও গঠন করে ফেলেছেন। সেকথা সংবাদমাধ্যমকে নিজেই জানিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি। তিনি বলেন, জোট গঠনের কাজ করার জন্য একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও, কমিটিতে কারা থাকছেন তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি কংগ্রেস সভাপতি। তবে, কমিটির নেতৃত্বে থাকছেন রাহুল তা স্পষ্ট। কংগ্রেসের রাজস্থানের দুই নেতা শচীন পাইলট এবং অশোক গেহলট সেকথা জানিয়েও দিয়েছেন।

[এবার বিদেশেও গো-প্রীতি মোদির! রোয়ান্ডার প্রেসিডেন্টকে উপহার ২০০টি গরু]

এর আগেই ২০১৯ লোকসভায় শক্তিশালী ১২ টি রাজ্য থেকে ১৫০ টি আসন দখলের ফর্মুলা দিয়েছিলেন চিদম্বরম। চিদম্বরমের আশা বাকি রাজ্যগুলিতে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে জোট করে আরও অন্তত ১৫০ টি আসন জেতা সম্ভব। কংগ্রেসের আরেক নেতা রণদীপ সিং সূরজেওয়ালা আশাবাদী, ২০০৪ সালে জেতা আসনসংখ্যার থেকে এবার আরও বেশি আসন পাবে হাত শিবির। কিন্তু প্রশ্ন হল, কংগ্রেস নেতারা আশাবাদী হলেও অন্য বিরোধী নেতারা কী রাহুলকে মানবেন? এখনও জাতীয় স্তরে বেশিরভাগ নেতা রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য মনে করেন না। তাছাড়া এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে বিরোধীদের একত্রিত করার কাজ শুরু করেছেন, তাতে অনেকেই তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করার পক্ষে সওয়াল করছেন। আবার বিরোধীদের মধ্য একাধিক নেতার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুপ্ত বাসনা রয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য শরদ পাওয়ার, মায়াবতীরা। যদিও কংগ্রেসের দাবি, লোকসভায় দেড়শোর বেশি আসন পেলে অন্য বিরোধীদের তর্কের কোনও জায়গায় থাকবে না।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.