Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

লিভ-ইন পার্টনারের সম্মতিতে যৌনতা ধর্ষণ নয়, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

ধর্ষণ এবং সম্মতিতে শারীরিক সমর্কের মধ্যে পরিষ্কার তফাৎ রয়েছে, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০১৯, ১৪:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০১৯, ১৪:৪২

options
link
লিভ-ইন পার্টনারের সম্মতিতে যৌনতা ধর্ষণ নয়, জানাল সুপ্রিম কোর্ট zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সময় বদলাচ্ছে, সমাজ আধুনিক হচ্ছে। বিয়ের আগে যৌনতা এখন আর ট্যাবু নয়। বরং, আধুনিক সমাজে প্রেমিক-প্রেমিকার এক ছাদের তলায় থাকাটা খুব সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, একসঙ্গে দীর্ঘদিন থাকার পর লিভ ইন সঙ্গীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা তুলছেন মহিলারা। তাদের অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। লিভ ইন পার্টনারের এই অভিযোগের জেরে শাস্তি পেতে হয়েছে অনেক প্রেমিককেই। কিন্তু এবার সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিল দু’পক্ষের সম্মতিতে যৌনতা কখনও ধর্ষণ হতে পারে না। কোনও পুরুষ যদি নারীসঙ্গীকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে সহবাস করার পর তাঁকে বিয়ে করতে না পারেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা আনা যাবে না। বড়জোর প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ আনা যেতে পারে।

সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচার্পতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, লিভ-ইন সম্পর্কের ক্ষেত্রে মেয়েরা ছেলেদের সঙ্গে থাকেন ভালবাসার খাতিরে। অনেক সময় আকর্ষণ এবং ভালবাসার টানেই যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন। তাই, পরবর্তীকালে পুরুষসঙ্গী বিয়ে করতে না পারলে শারীরিক সম্পর্ককে ধর্ষণ বলে চালানো যাবে না। তাই কোনওভাবেই পুরুষসঙ্গীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা করা যাবে না। এই ধরনেক ঘটনাকে শুধু বিয়ের প্রতিশ্রুতিভঙ্গ বলা যেতে পারে।

Advertisement

[সবরীমালায় বিক্ষোভকারীর মৃত্যু, কেরলজুড়ে বনধের ডাক দক্ষিণপন্থী সংগঠনগুলির]

আদালতের পর্যবেক্ষণ, ” ধর্ষণ এবং সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্কের মধ্যে পরিষ্কার তফাৎ রয়েছে। এই ধরনের মামলার ক্ষেত্রে আদালতকে খুব গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। সত্যিই অভিযুক্ত বিয়ে করতে চেয়েছিলেন নাকি শুধুমাত্র নিজের লালসা চরিতার্থ করার জন্য মিথ্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তাছাড়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা আর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারার মধ্যেও পার্থক্য আছে। কেউ বিয়ে করতে অপারগ হতেই পারেন, পরিস্থিতি বদলে যেতেই পারে সেক্ষেত্রে তাঁকে ধর্ষক বলা যাবে না।” মহারাষ্ট্রের এক নার্সের করা এক মামলার ভিত্তিতে একথা জানিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। ওই নার্স এক চিকিৎসকের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। কিন্তু পরবর্তীকালে মহিলার সঙ্গে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন ওই চিকিৎসক। তারপরই বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন নার্স। যা খারিজ করে দেয় সর্বোচ্চ আদালত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.