Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
সুপ্রিম কোর্ট

‘বাক স্বাধীনতার পরিপন্থী’, আদালত অবমাননার আইন বাতিলের দাবিতে মামলা সুপ্রিম কোর্টে

মামলা দায়ের করেছেন এক বিশিষ্ট সাংবাদিক, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বর্ষীয়ান আইনজীবী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২০, ১৫:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২০, ১৫:৫০

options
link
‘বাক স্বাধীনতার পরিপন্থী’, আদালত অবমাননার আইন বাতিলের দাবিতে মামলা সুপ্রিম কোর্টে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আদালত অবমাননার আইন বাতিলের দাবি। অর্থাৎ আদালতের অধিকার খর্ব করার চেষ্টা। সেই দাবি নিয়ে মামলা আবার সেই আদালতেই। ‘বিচিত্র’ এই ভারতীয় গণতন্ত্রে যে সবই সম্ভব, তা আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক এন রাম (N Ram), প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ শৌরি (Arun Shourie) এবং বর্ষীয়ান আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ(Prashant Bhushan)। আদালত অবমাননার আইন বাতিলের দাবিতে শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) মামলা দায়ের করলেন তাঁরা।

তিন হেভিওয়েট মামলাকারীর দাবি, ১৯৭১ সালে চালু হওয়া এই আদালত অবমাননার আইন আসলে দেশের সংবিধানের মূল ভিত্তির বিরোধী। ভারতীয় সংবিধান সবাইকে বাক স্বাধীনতা অর্থাৎ নিজেদের অভিব্যক্তির বহিঃপ্রকাশের স্বাধীনতা দিয়েছে। কিন্তু আদালত অবমাননার আইন সেই স্বাধীনতার পরিপন্থী। সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদের অধীনে করা মামলায় বলা হয়েছে,”এই আইনটি অস্পষ্ট এবং ইচ্ছামতো লাগু করা যায়। এটি সংবিধানের ১৯(এ)(১) নম্বর ধারায় যে অভিব্যক্তির স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে, তা লঙ্ঘন করে।” এন রাম, অরুণ শৌরি, প্রশান্ত ভূষণরা বলছেন, এই আইনটির একাধিক ধারা পুরোপুরি অসাংবিধানিক এবং এটি সংবিধান প্রস্তাবনার মূল ভিত্তির বিরোধী। মামলাকারীরা বলছেন, সংবিধান যখন বাক স্বাধীনতার অধিকার দিচ্ছে তখন আদালতের সমালোচনা করার অধিকারও দেওয়া উচিত।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্যাংগংয়ে ভারতীয় সীমান্তে এখনও মোতায়েন বহু চিনা সেনা, উপগ্রহ চিত্রে মিলল প্রমাণ]

উল্লেখ্য আদালত অবমাননার আইন অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি লিখিত বা মৌখিকভাবে বা ইঙ্গিতের মাধ্যমে যদি এমন কোনও মন্তব্য করেন বা এমন কোনও কাজ করেন, যা আদালতের অধিকার ক্ষুণ্ন করে বা আদালতের পক্ষে অবমাননাকর হয়, তাহলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। মজার কথা হল, যে তিনজন এই আদালত অবমাননার আইন বাতিলের দাবিতে আদালতে গিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই কোনও না কোনও সময় আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে। প্রশান্ত ভূষণের বিরুদ্ধে এখনও দুটি আদালত অবমাননার মামলা চলছে। এন রামের বিরুদ্ধেও একটি মামলা চলছে। অতীতে অরুণ শৌরির বিরুদ্ধেও এই ধরনের মামলা চলেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.