Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Contract killer

খুন করেও মেলেনি টাকা! মূল ষড়যন্ত্রকারীর বিরুদ্ধে থানায় ‘অনুতপ্ত’ সুপারি কিলার

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০২৪, ১৯:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০২৪, ১৯:০৪

options
link
খুন করেও মেলেনি টাকা! মূল ষড়যন্ত্রকারীর বিরুদ্ধে থানায় ‘অনুতপ্ত’ সুপারি কিলার zoom
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চুক্তি হয়েছিল মহিলাকে খুনের বিনিময়ে দিতে হবে ২০ লক্ষ টাকা। চুক্তি পাকা হওয়ার পর হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন দুই সুপারি কিলার। তবে জামিনে মুক্তি পেয়ে সুপারি কিলার টাকা আদায় করতে গেলে টাকা দিতে অস্বীকার করে খুনের মূল ষড়যন্ত্রকারী। যার জেরে বরাত দেওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন সুপারি কিলার। পুলিশের কাছে সুপারি কিলারের দাবি, তিনি ‘অনুতপ্ত’ হয়েই পুলিশকে সবটা জানাতে এসেছেন।

জানা গিয়েছে, বছর খানেক আগে উত্তরপ্রদেশের মিরাটে অঞ্জলি নামে এক মহিলাকে গুলি করে খুন করা হয়। পেশায় আইনজীবী ওই মহিলাকে খুনের ঘটনায় প্রথমে অঞ্জলির স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেদের আটক করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান ছিল, সাংসারিক অশান্তির জেরে সুপারি কিলার দিয়ে অঞ্জলিকে খুন করেছে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোক। খুনের ঘটনার দিন কয়েক পর ধরা পড়ে দুই শুটার নীরজ শর্মা ও যশপাল। তাদের গ্রেপ্তারির পর জেরায় অভিযুক্তরা জানায় সুরেশ ভাটি নামে এক ব্যক্তি এই খুনের বরাত দিয়েছিল। যদিও এই সুরেশ ভাটির কোনও হদিশ পায়নি পুলিশ। এদিকে প্রমাণের অভাবে মুক্তি পেয়ে যান অঞ্জলির শ্বশুরবাড়ির লোকেরা।

Advertisement

তবে এই গল্পে টুইস্ট তখনও বাকি ছিল। বছর খানেক পর এই মামলায় জামিনে মুক্তি পায় দুই সুপারি কিলার। এর পর খুনের ঘটনায় বকেয়া টাকার দাবিতে মূল ষড়যন্ত্রকারীর কাছে যান দুজন। সেখানে টাকা না পেয়ে সোজা থানায় এসে হাজির হয় দুজন। থানায় ওই দুই অভিযুক্ত জানা, অঞ্জলিকে খুনের বরাত দিয়েছিলেন তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। খুনের পরিবর্তে তাদের ২০ লক্ষ টাকা ও মিরাটের টিপি নগরে ৫টা দোকান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। তবে এখন তাঁরা টাকা দিতে রাজি হচ্ছে না।

হত্যাকারী নিরজ পুলিশকে জানায়, “পুলিশ আমাদের গ্রেপ্তার করার পর আমরা এই খুনের মূল ষড়যন্ত্রকারী অঞ্জলির স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ি সম্পর্কে কোনও তথ্য দেইনি। কারণ, এভাবেই আমাদের চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু এতদিন জেল খাটার পর এই খুনের ঘটনায় আমরা অনুতপ্ত। তাই থানায় এসে অভিযুক্তদের নাম পুলিশকে জানালাম।” যদিও জানা যাচ্ছে, চুক্তি মতো ২০ লক্ষ টাকা না পেয়ে রাগের বশেই থানায় ষড়যন্ত্রকারীদের তথ্য প্রকাশ করে দিয়েছে সুপারি কিলার নীরজ। সব অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.