Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
বেসুরো মধ্যপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক

এবার CAA বিরোধিতায় সরব দলেরই বিধায়ক, অস্বস্তিতে বিজেপি শিবির

'ভোট ব্যাংকের জন্যই এই আইন আনা হয়েছে', স্বীকারোক্তি বিধায়কের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২০, ১৪:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২০, ১৪:২৮

options
link
এবার CAA বিরোধিতায় সরব দলেরই বিধায়ক, অস্বস্তিতে বিজেপি শিবির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: CAA নিয়ে এবার ভিন্ন সুর বিজেপির অন্দরেই। “দেশের মঙ্গলের জন্য নয়, বরং  বিজেপির ভোটব্যাংক শক্ত করতেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন আনা হয়েছে।” এবার এহেন অভিযোগ করলেন মধ্যপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক নারায়ণ ত্রিপাঠি। ইতিপূর্বে কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দলনেতারা CAA বিরোধিতায় সরব হয়েছিলেন। এবার সেই সুরেই গলা মেলালেন বিজেপি বিধায়ক। প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাসে অপরাধী আইন সংশোধনী আইন পাশের ক্ষেত্রেও বিজেপি বিধায়ক নারায়ণ ত্রিপাঠি-সহ আরও একজন কংগ্রেসকে সমর্থন করেছিলেন। এবার CAA নিয়েও বেসুরো গাওয়ায় নারায়ণ ত্রিপাঠিকে ঘিরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।  

২০১৯-এর ডিসেম্বরে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাশ হয়। বিরোধীদের অবিযোগ, এই আইন দেশে ধর্মের ভিত্তিতে ভেদাভেদ তৈরি করছে। আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ তৈরি হয়েছে। পথে নেমেছেন বিশিষ্টজন থেকে আম জনতা। তারপরও নিজেদের অবস্থানে অনড় কেন্দ্র সরকার। বরং খোদ প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলির ঐতিহাসিক ভুল শোধরাতেই এই আইন পাশ করা হয়েছে। 

Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘প্রশান্ত কিশোর করোনা ভাইরাস’, বিতর্কিত মন্তব্য জেডিইউ নেতার]

এবার বিতর্কিত আইনের বিরুদ্ধে সরব হলেন মধ্যপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক মারায়ণ ত্রিপাঠি। তাঁর অভিযোগ, “ধর্মের ভিত্তিতে দেশে বিভাজন করা উচিত নয়। কারণ এটি সংবিধান পরিপন্থী।” বিক্ষুব্ধ বিজেপি বিধায়ক নারায়ণ ত্রিপাঠির কথায়, “হয় আমাদের বাবা সাহেব আম্বেদকরের সংবিধান মেনে চলা উচিত। নয়তো সংবিধান ছিঁড়ে ফেলা দরকার। সংবিধানে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের কথা বলা নেই। পরে ধর্মের ভিত্তিতে ভেদাভেদ তৈরি করতে কোনও আইন আনা হলে, তা সংবিধানকে অমান্য করা হয়।”

[আরও পড়ুন : কোর্ট থেকে রাজনীতির ময়দানে, বিজেপিতে যোগ দিলেন সাইনা নেহওয়াল]

দেশের সৌভাতৃত্ববোধ নিয়েও সরব হয়েছে ওই বিজেপি বিধায়ক। তাঁর কথায়, “আমাদের গ্রামে মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রচুর মানুষ থাকতেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে আনন্দে মেতে উঠতাম আমরা। কিন্তু এখন তাঁরা আমাদের দিকে ঘুরেও তাকান না। এই পরিস্থিতিতে দেশে শান্তি বজায় রাখা সম্ভব নয়।” একইসঙ্গে নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে প্রয়োজনীয় নথির বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন বিজেপি বিধায়ক। তাঁর কথায়, “দেশের গ্রামাঞ্চগুলিতে সাধারণ আধার কার্ড পেতে দিনের পর দিন কেটে যায়, নাগরিকত্ব প্রমাণের কাগজ কোথা থেকে পাবেন তাঁরা!” নারায়ন ত্রিপাঠি সতর্কবার্তা, “ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগাভাগি করা হলে, এই দেশ চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.