Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Corona virus

COVID-19: অতিমারী নয়, দ্রুতই সাধারণ রোগে পরিণত হবে কোভিড, দাবি ICMR’এর বিজ্ঞানীর

WHO'র সম্পূর্ণ বিপরীত মতপ্রকাশ করায় বিজ্ঞানীর বক্তব্য নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২২, ১৪:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২২, ১৪:৪০

options
link
COVID-19: অতিমারী নয়, দ্রুতই সাধারণ রোগে পরিণত হবে কোভিড, দাবি ICMR’এর বিজ্ঞানীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা নিয়ে দুটো ভিন্ন পথের কথা বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR)। চলতি বছর আগামী ১১ মার্চের পর থেকে কোভিড-১৯ (COVID-19) ভারতে একটি সাধারণ রোগ বা এনডেমিকে (Endemic) পরিণত হতে পারে। এমনটাই দাবি করলেন আইসিএমআর’এর অতিমারী বিভাগের প্রধান সমীরণ পণ্ডা। অন্যদিকে, ওমিক্রন প্রসঙ্গে এখনও সাবধানবাণী শোনাচ্ছে WHO। এই আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান জানাচ্ছেন, অতিসংক্রামক ওমিক্রন (Omicron) এখন দুনিয়াজুড়ে রাজত্ব করছে। যাঁরা ভাবছেন কোভিডের বিপদ কাটল, তাঁরা ভুল ভাবছেন।

এদিকে, দেশের প্রথম সারির এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আইসিএমআরের বিজ্ঞানী সমীরণবাবু বলেছেন, ‘‘অনুমান করা হচ্ছে যে ওমিক্রনের প্রভাব ভারতে ১১ ডিসেম্বর থেকে শুরু করে তিন মাস ধরে চলবে। অর্থাৎ ১১ মার্চের পর থেকে আমরা এই রোগ থেকে কিছুটা অব্যাহতি পেতে পারি।’’ তাঁর মতে, ১১ মার্চের পর থেকে কোভিড-১৯ (COVID-19) ভারতে একটি সাধারণ রোগ হয়েও দাঁড়াতে পারে। তবে তার জন্য অনেকগুলি বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা প্রয়োজন। করোনার যদি কোনও নতুন রূপ আবির্ভূত না হয় এবং যদি ওমিক্রন রূপ ডেল্টা (Delta)রূপকে প্রতিস্থাপন করে, তখনই করোনা একটি সাধারণ রোগে পরিণত হতে পারে বলে তাঁর দাবি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সাম্প্রদায়িক অশান্তির জেরে গ্রাম ছাড়ছে হিন্দুরা! খাস বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে চাঞ্চল্য]

কোভিড-১৯ ভারতে একটি সাধারণ রোগে পরিণত হলে এটি তুলনামূলক ভাবে কম সংক্রমিত হবে এবং একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে। বিজ্ঞানী আরও জানিয়েছেন, দিল্লি এবং মুম্বইয়ে করোনা স্ফীতি শীর্ষে পৌঁছেছে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। সমীরণবাবুর কথায়, “দিল্লি এবং মুম্বইয়ে করোনা স্ফীতি শীর্ষে পৌঁছেছে কি না তা জানতে আমাদের আরও দু’সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। আমরা কেবল কয়েক দিন আক্রান্তের সংখ্যা এবং সংক্রমণের হার কমার উপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারি না।’’

[আরও পড়ুন: জটিল অস্ত্রোপচারে সাফল্য, কোভিড আক্রান্ত মহিলাকে নয়া জীবনদান বর্ধমান মেডিক্যালের]

দিল্লি এবং মুম্বইয়ে ওমিক্রন এবং ডেল্টা রূপের অনুপাত ৮০ এবং ২০ শতাংশ। বর্তমানে ভারতের রাজ্যগুলিও অতিমারীর বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। তাই এখনই কিছু জানানো সম্ভব নয় বলেই তিনি স্পষ্ট করেছেন। সমীরণবাবুর বক্তব্য ঘিরে জলঘোলা হবে, তাতে সন্দেহ নেই। কারণ, ওমিক্রন দাপট জারি থাকলেও আমেরিকায় চতুর্থ ঢেউ চলছে। জাপান আরও এগিয়ে রয়েছে। সেক্ষেত্রে আরও কয়েকটি তরঙ্গ ভারতের উপর দিয়েও বইতে পারে, সেই আশঙ্কা করা অস্বাভাবিক নয়। তাহলে এখনই কোভিড-১৯ সাধারণ রোগ বলে ধরে নিয়ে এগোলে আবার কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হবে না তো? এই প্রশ্নও তুলেছেন অনেকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.