Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

ফের গো-রক্ষকদের তাণ্ডব হরিয়ানায়, ফরিদাবাদে আক্রান্ত পাঁচ

আক্রান্তদের বিরুদ্ধেই মামলা রুজু করল পুলিশ!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৭, ১১:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৭, ১১:৪১

options
link
ফের গো-রক্ষকদের তাণ্ডব হরিয়ানায়, ফরিদাবাদে আক্রান্ত পাঁচ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তায় কোনও কাজ হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের রায়েও পরিস্থিতি বদলাল না। ফের গো-রক্ষকদের তাণ্ডবের শিকার হলেন পাঁচজন নিরীহ মানুষ। প্রকাশ্য রাস্তায় অটো থামিয়ে গো-মাংস বহনের অভিযোগে চালক ও যাত্রীদের বেধড়ক মারধর করল কয়েকজন দুষ্কৃতীরা। এবার দিল্লির উপকণ্ঠে হরিয়ানার ফরিদাবাদে। আক্রান্তদের দাবি, গোটা ঘটনাটি ঘটেছে পুলিশের সামনেই। শুধু তাই নয়, ঘটনায় আক্রান্তদের বিরুদ্ধে গরু পাচার বিরোধী আইনে মামলাও রুজু করেছে হরিয়ানা পুলিশ। ফরিদাবাদের পুলিশ সুপার জানিয়েছে, অটো থেকে মাংস উদ্ধার হয়েছে। সেটি গো-মাংস কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখা হবে।

[উপত্যকায় ফের বড়সড় সাফল্য সেনার, খতম শীর্ষ লস্কর কমান্ডার-সহ ২ জঙ্গি]

Advertisement

এক মাসের কিছু বেশি সময়ের ব্যবধান। গত মাসেই গো-রক্ষকদের তাণ্ডব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এই ঘটনা রুখতে রাজ্যগুলিকে  জেলায় একজন করে নোডাল অফিসার নিয়োগ করতে বলেছিল শীর্ষ আদালত। এমনকী, গরু নিয়ে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হলে রাজ্যের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তাও কেন্দ্রকে জানাতে বলা হয়েছিল। কিন্তু, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ কার্যকর করতে বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলি কতটা উদ্যোগ নেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। ঘটনাচক্রে, সেই বিজেপিশাসিত হরিয়ানার ফরিদাবাদেই গো-মাংস বহনের অভিযোগে এক অটোচালক ও যাত্রীদের বেধড়ক মারধর করল স্বঘোষিত গো-রক্ষকরা। জানা গিয়েছে, দিল্লি-ফরিদাবাদে জাতীয় সড়কে একটি যাত্রীবোঝাই অটোকে ঘিরে ধরে কয়েকজন দুষ্কৃতীরা। অটোর চালককে ‘ভারত মাতা কি জয়’  ও ‘জয় হনুমান’ বলতে বলা হয়। কিন্তু, তিনি রাজি হননি। এরপরই অটো গো-মাংস নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে শুরু হয় বেধড়ক মারধর। রেহাই পাননি অটোর যাত্রীরাও। আক্রান্তদের অভিযোগ, ঘটনায় সময়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন কয়েকজন পুলিশকর্মী। কিন্তু, তাঁরা কোনও সাহায্য করেননি। বস্তুত, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে নয়, আক্রান্তদের বিরুদ্ধেই গরু পাচার বিরোধী আইনে মামলা রুজু করেছ পুলিশ। অটো থেকে উদ্ধার হওয়া মাংস গো-মাংস কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন ফরিদাবাদের পুলিশ সুপার। যদিও অটোয় গো-মাংস ছিল না বলে দাবি করেছেন আক্রান্তরা।

[নয়া মেনুর জের, আরও দামী হচ্ছে ট্রেনের খাবার!

এদিকে হরিয়ানার বিজেপি নেতা রমন মালিকের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন, গো-রক্ষার নামে মারধরের ঘটনা বাড়ছে। তাছাড়া প্রকৃত গো-রক্ষকরা এই ধরণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। গো-রক্ষকদের নাম নিয়ে গুন্ডারা লোকজনকে মারধর করছে।

 

[প্রাণঘাতী গেম বন্ধ করতে কেন্দ্রকে কমিটি গড়ার সুপ্রিম নির্দেশ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.