সংসদে বাজেট আলোচনা চলাকালীন বেনজির দৃশ্য। রাজনৈতিক হিংসা ও বামপন্থীদের নৃশংসতা তুলে ধরতে গিয়ে টেবিলের উপর নিজের দুই নকল পা রাখলেন কেরলের বিজেপি সাংসদ সি সাদনানন্দ মাস্টার। ৩১ বছর আগের ভয়াবহতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সংসদে সর্বদা গণতন্ত্র, গণতন্ত্র রব শোনা যায়, কিন্তু সেই গণতন্ত্রের ঢাক বাজানো কিছু ব্যক্তিই শক্ত পায়ে দাঁড়িয়ে থাকা এক নিরপরাধের দুই পা কেটে নিয়েছিল।’
সংসদে ভাষণ চলাকালীন টেবিলের উপর নিজের দুই কৃত্রিম পা রেখে বিজেপি সাংসদ সাদনানন্দ বলেন, ”এটা আমার দুই পা। আজ যখন আমি গণতন্ত্রের উপর ভাষণ শুনি তখন ভয়াবহ সত্য আমায় তাড়া করে। ৩১ বছর আগে এই সিপিএমের কিছু দুষ্কৃতী আমার উপর হামলা করেছিল। এবং আমার দুই পা কেটে নিয়েছিল। কোনও একসময় আমারও শক্তিশালী পা ছিল। কিন্তু আজ এই দুই কৃত্রিম পায়ের ভরসায় চলতে হয় আমাকে।”
আরও পড়ুন:
“ये मेरे दो पैर हैं। जब मैं आज ‘लोकतंत्र’ पर लेक्चर सुनता हूं, तो मुझे सच याद करने पर मजबूर होना पड़ता है। 31 वर्ष पहले, इन्हीं [CPI(M)] के लोगों ने मुझ पर हमला किया था और बेरहमी से मेरे पैर काट दिए थे।”
— सी. सदानंदन मास्टर, राज्यसभा सांसदकेरल में वामपंथी उग्रवाद के शिकार यह… pic.twitter.com/hKxdV5GBw7
— BJP Uttar Pradesh (@BJP4UP) February 2, 2026
সাংসদ বলেন, “বামেরা মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে, আর আড়ালে বর্বরতা চালায়। গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও আদর্শের ভেক ধরা সিপিএমের আড়ালে রয়েছে এক ভয়াবহ নৃশংসতা। এদের সেই লাল সন্ত্রাসে লালরেখা টেনে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।”
সাংসদ আরও বলেন, ”১৯৯৪ সালের অভিশপ্ত সেই রাতে আমি আমার বোনের বিয়ের আলোচনা সেরে কাকার বাড়ি থেকে নিজের বাড়ি ফিরছিলাম। বাস থেকে নামার পর কিছু লোক পিছন থেকে আমার উপর হামলা করে। রাস্তায় ফেলে সেই অপরাধীরা আমার দুই পায়ে পর পর কোপ বসায়। কেটে নেওয়া হয় আমার পা। নৃশংস সেই হামলার পর অপরাধীরা ইনক্লাব জিন্দাবাদ স্লোগানও দিচ্ছিল।” কেরলে সিপিএমের ভয়াবহ রাজনৈতিক হিংসার কথা তুলে ধরে সাংসদ আরও বলেন, “সিপিএমের সেই নৃশংসতার কারণেই আমি আজ সংসদে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিতে পারি না।”
এরপরই বামেদের তোপ দেগে বিজেপি সাংসদ বলেন, “এটাই হল লাল সন্ত্রাসের আসল চেহারা। এরা মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে, আর আড়ালে বর্বরতা চালায়। গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও আদর্শের ভেক ধরা সিপিএমের আড়ালে রয়েছে এক ভয়াবহ নৃশংসতা। এদের সেই লাল সন্ত্রাসে লালরেখা টেনে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ বামপন্থী চরমপন্থা নির্মূল করা হচ্ছে কেবল বল প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, সত্য, সাহস এবং ন্যায়বিচারের মাধ্যমে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!