Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৯ জুলাই ২০২৬

জাতীয় সংগীত বিতর্কে মুখ খুলে নেটিজেনদের রোষের মুখে গম্ভীর

কী এমন বললেন কেকেআর ক্যাপ্টেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০১৭, ১৫:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০১৭, ১৫:০১

options
link
জাতীয় সংগীত বিতর্কে মুখ খুলে নেটিজেনদের রোষের মুখে গম্ভীর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাতীয় সংগীত বিতর্কে এবার মুখ খুললেন গৌতম গম্ভীর। ফল হাতেনাতে পেলেন। নেটিজেনদের রোষের মুখে পড়তে হল তাঁকে। কেকেআর ক্যাপ্টেনকে সমালোচনায় বিদ্ধ করলেন নেটদুনিয়ার বাসিন্দারা।

[কেন স্যানিটারি ন্যাপকিনে ১২ শতাংশ জিএসটি, প্রশ্ন অভিনেত্রীর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুক্রবার রাতে জাতীয় সংগীতের সময় দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন গম্ভীর। ক্রিকেটারের বক্তব্য ছিল, ক্লাবের বাইরে ২০ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে থাকা যেতে পারে। পছন্দের রেস্তরাঁর বাইরেও আধ ঘণ্টা অপেক্ষা করা যেতে পারে। কিন্তু জাতীয় সংগীতের জন্য মাত্র ৫২ সেকেন্ড দাঁড়ানো যায় না? খুবই কঠিন নাকি?

 

ভারতীয় ব্যাটসম্যানের এই প্রশ্নের উত্তরে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন নেটিজেনরা। অনেকের বক্তব্য, রেস্তরাঁ কিংবা ক্লাবের বাইরে কাউকে দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করা হয় না। এটা প্রত্যেক মানুষের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের বিষয়। জোর করে কখনও দেশাত্মবোধ জাগানো যায় না বলেই অভিমত নেটিজেনদের।

 

[‘হিন্দুস্তান হিন্দুদেরই, তবে সেখানে সকলেরই জায়গা আছে’]

একই সুরে কথা বলেছিল দেশের শীর্ষ আদালতও। সম্প্রতি প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র ও বিচারপতি এএম খানউইলকর ও বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়কে নিয়ে গঠিত সর্বোচ্চ আদালতের বিশেষ বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, জাতীয় সংগীত বাজানোর সময় ‘দেশপ্রেম দেখাতে’ প্রেক্ষাগৃহে উঠে দাঁড়ানোর দরকার নেই। বিচারকরা কড়া ভাষায় জানিয়ে দেন, “সমাজে কারও ‘নৈতিক পুলিশগিরির’ দরকার নেই। বেঞ্চ বলেছে, এরপর হয়তো দেখব, জাতীয় সংগীত অবমাননা হবে বলে জানিয়ে সরকার প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের টি-শার্ট, হাফ প্যান্ট পরে আসতেও নিষেধ করবে। বেঞ্চের বক্তব্য ছিল, লোকে সিনেমা হলে আসে বিশুদ্ধ বিনোদনের জন্য। সমাজে বিনোদন দরকার। আমাদের কাঁধে বন্দুক রেখে গুলি চালাতে দেব না আপনাদের (কেন্দ্র)। প্রত্যাশা এক জিনিস, আর তা বাধ্যতামূলক করা আরেক ব্যাপার। দেশপ্রেম বোধ আস্তিনে বয়ে বেড়াতে বাধ্য করা যায় না।” এই কথার রেশ টেনেই সম্প্রতি সানি লিওন বলেন, ‘আমার মনে হয় দেশপ্রেম এমন এক আবেগ, যা মানুষের ভিতর থেকে আসে। হৃদয় থেকে আসে। আমার মনে হয়, আদালত যাই বলুক না কেন, আমাদের উচিত জাতীয় সংগীতের সময় উঠে দাঁড়ানো।’ সানি লিওনের সঙ্গে একমত দক্ষিণ ভারতের আর এক জনপ্রিয় অভিনেতা কমল হাসানও।

[‘অভিনেতাদের বুদ্ধি কম, তাহলে কি একটা এন্ট্রান্স পরীক্ষার ব্যবস্থা হবে?’]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.