Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
PM Modi

‘কুমিরের কান্না’, সাধারণতন্ত্র দিবসের হিংসা নিয়ে মোদির বক্তব্যকে আক্রমণ কংগ্রেসের

প্রধানমন্ত্রীকে কংগ্রেসের কটাক্ষ, 'বোকা বানানো বন্ধ করুন।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২১, ১৫:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২১, ১৫:৫৭

options
link
‘কুমিরের কান্না’, সাধারণতন্ত্র দিবসের হিংসা নিয়ে মোদির বক্তব্যকে আক্রমণ কংগ্রেসের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ‘মন কি বাতে’ উঠে এসেছে সাধারণতন্ত্র দিবসের (Republic Day) ট্র্যাক্টর মিছিলে হওয়া হিংসার প্রসঙ্গ। তাঁর কথায়, “লালকেল্লার ঘটনায় স্তম্ভিত গোটা দেশ।” প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তাঁকে আক্রমণ করলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং (Digvijaya Singh)। টুইটে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে ‘কুমিরের কান্না’ বলে কটাক্ষ করতে দেখা গেল তাঁকে।

রবিবার ছিল বছরের প্রথম ‘মন কি বাত’ (Maan ki Baat)। সেখানেই প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, “২৬ জানুয়ারি লালকেল্লায় জাতীয় পতাকার অবমাননা হয়েছে। যা দেখে দেশবাসী স্তম্ভিত।” তাঁর এই মন্তব্যকে আক্রমণ করে টুইট করেন দিগ্বিজয়। লেখেন, ”যখন আরএসএস স্বাধীনতার পরে কয়েক দশক ধরে জাতীয় পতাকা তুলতে অস্বীকার করেছিল, তখন আপনি ‘স্তম্ভিত’ হননি কেন? এটা কুমিরের কান্না।” সেই সঙ্গে তিনি তুলে এনেছেন দীপ সিধুর প্রসঙ্গও। তাঁর প্রশ্ন, ”দীপ সিধুর ব্যাপারটা কী হল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? অন্য কৃষক নেতারা যেখানে অনুমতি পাননি, সেখানে উনি কী করে লালকেল্লায় ঢুকবার অনুমতি পেলেন? যখন ওই ঘটনা ঘটছিল, তখন দিল্লি পুলিশই বা কী করছিল? আর হ্যাঁ, দীপ সিধু কোথায়? আমি নিশ্চিত আপনার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ওঁর গতিবিধির বিষয়ে অবগত। বোকা বানানো বন্ধ করুন।”

Advertisement

 

 

[আরও পড়ুন: রাজ্যের ভোটের মুখে কংগ্রেসকে ‘ব্যান্ড বাজা’ পার্টি বলে কটাক্ষ ওয়েইসির, বিঁধলেন মমতাকেও]

উল্লেখ্য, সাধারণতন্ত্র দিবসে লালকেল্লায় কৃষক সংগঠনের পতাকা ‘নিশান সাহিব’ উড়িয়েছিলেন বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। এই ঘটনায় তোলপাড় হয় গোটা দেশ। নিন্দায় সরব হয় দেশবাসী। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেও সেই প্রসঙ্গই উঠে এসেছে। এবার তার পালটা দিলেন কংগ্রেস নেতা।

এদিকে কৃষি আইন নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনায় রাজি কৃষকরাও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) প্রস্তাবের পরই সুর নরম করেছে কৃষক সংগঠনের সংযুক্ত মোর্চা। শনিবার ৪০টি কৃষক সংগঠনের যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ”কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা না করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।” তবে সরকারের সঙ্গে আলোচনার বার্তা দিলেও দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছে কৃষক সংগঠনগুলি। তাদের দাবি, দিল্লি পুলিশ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে আক্রমণে উসকানি দিচ্ছে। স্থানীয়দের নামে বিজেপি সমর্থকরা হামলা চালাচ্ছে নিরীহ বিক্ষোভকারীদের উপর।

 

[আরও পড়ুন: আসন্ন তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে AIADMK’র সঙ্গে জোট বাঁধছে বিজেপি, ঘোষণা নাড্ডার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.