Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
DA

সুপ্রিম কোর্টে পিছল DA মামলার শুনানি, মঙ্গলে সবপক্ষের বক্তব্য শুনবে আদালত

'আদালতের নির্দেশ কার্যকর করতে চায় রাজ্য', সওয়াল আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৫, ১২:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৫, ১২:২২

options
link
সুপ্রিম কোর্টে পিছল DA মামলার শুনানি, মঙ্গলে সবপক্ষের বক্তব্য শুনবে আদালত zoom

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছল DA মামলার শুনানি। সোমবার রাজ্যের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আদালতে জানান, “একে তো হাই কোর্ট বা ট্রাইবুনাল কেউই টাকার অঙ্ক নির্দিষ্ট করে দেয়নি। তার উপর অনেক টাকার ব্যাপার। আদালতের নির্দেশ কার্যকর করতে চাই। কিন্তু ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ মেটানোর অর্থ জোগাড় করতে কিছু সময় লাগবে।” দ্রুত এই মামলার নিষ্পত্তি করার ইঙ্গিত দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, “প্রয়োজনে রোজ শুনানি হবে।” সেই অনুযায়ী আগামিকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার সবপক্ষের বক্তব্য শুনবে সর্বোচ্চ আদালত।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ মে সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলায় বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ ছিল, আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে। যদিও রাজ্যের তরফে বর্ষীয়ান আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বারবার এই যুক্তি দেখান, ডিএ রাজ্য সরকারি কর্মীদের অধিকারের মধ্যে পড়ে না। তাতে বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ ছিল, তা না হলেও দিনের পর দিন টাকা এভাবে আটকে রাখা যায় না। তাই ন্যূনতমটুকু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মিটিয়ে দিতেই হবে। শীর্ষ আদালতের দেওয়া সময়সীমা পেরলেও এখনও মহার্ঘভাতা হাতে পাননি সরকারি কর্মীরা।

Advertisement

রাজ্য সরকার আগেই শীর্ষ আদালতের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছে। সেই আবেদনে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ডিএ সংক্রান্ত নির্দেশ কার্যকর করতে আরও ছয় মাস সময় দরকার। কারণ, বকেয়া মহার্ঘভাতা দিতে যে পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, চলতি অর্থবর্ষে সেই বাজেট বরাদ্দ নেই। সেইসঙ্গে রাজ্য এও জানায়, যেহেতু আদালতের নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হচ্ছে, সেই কারণে প্রদেয় অর্থ আদালতের কাছে জমা রাখা হোক। কারণ কর্মচারীদের এই অর্থ দিয়ে দেওয়া হলে, পরবর্তী সময়ে যদি এই নির্দেশ রাজ্যের পক্ষে যায়, তাহলে টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হবে না। সোমবার শুনানি পিছিয়ে গেল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার আদালতে কী হয়, সেদিকে তাকিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.