সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁর বাবা দেশের প্রতিরক্ষার কাজে নিযুক্ত ছিলেন৷ প্রাক্তন বায়ুসেনা অফিসারের কন্যা হয়ে তিনিও দেশের কাজেই নিজেকে নিয়োজিত করেছেন৷ তবে রাজনীতি নয়, তাঁর পদ্ধতিটি অন্যরকম৷ তিনি হাত লাগিয়েছেন দেশ গঠন করার কাজে৷
৫২ বছর বয়সি রাধিকা আনন্দ দিল্লির বাসিন্দা৷ বাবাকে দেখে বরাবরই দেশের হয়ে কাজ করার ইচ্ছে ছিল তাঁর৷ ছোটবেলা থেকেই এরকম স্বপ্ন দেখতেন তিনি৷ বড় হয়ে তা পূরণের পথ খুঁজে নেন নিজেই৷ এবং যে পথে তিনি তাঁর স্বপ্নপূরণে পৌঁছন তা সত্যিই দেশগঠনে সহায়ক৷
কী করেছেন রাধিকা? গত এক বছর ধরে সেনার সাহায্য নিয়েই তিনি প্রায় অসাধ্যসাধন করে চলেছেন৷ তা হল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি৷ নাহ গড়পড়তা গাছ লাগানোর কাজের থেকে এ কাজ অনেকটাই আলাদা৷ কেননা তা যেমন সংখ্যায় চমকপ্রদ, তেমন প্রকৃতিতেও৷ ইতিমধ্যে প্রায় লক্ষাধিক গাছ রোপণ করেছেন রাধিকা ও তাঁর সহযোগীরা৷ এবং এগুলি সবই ফলের গাছ৷ গাছ তো উপকারী বটেই, তবে ফলের গাছ লাগিয়ে যাতে দেশের সমস্যা খানিকটা হলেও কমানো যায় তারই চেষ্টা করেছেন তিনি৷ প্রায় এক লক্ষ দশ হাজার গাছ তিনি লাগিয়েছেন, ভবিষ্যতে আরও দু লক্ষ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা আছে তাঁর৷ আম, লিচুর গাছে তিনি সাজিয়ে তুলেছেন উত্তর ভারত, রাজস্থান, মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চল৷ আর এ কাজে তিনি উজাড় করে দিয়েছেন তাঁর সঞ্চয়৷ সাহায্য করেছেন বন্ধুরাও৷
তাঁর এই কাজে সহায়তা করেছে পরিবেশ মন্ত্রক৷ এমনকী সেনা অফিসাররাও হাত লাগিয়েছেন প্রাক্তন সেনা-কন্যার উদ্যোগে৷ দেশ গঠন করতে অনেকেই তত্ত্ব-তথ্যের অবতারণা করেন, অনেকে আবার রাজনীতির বেড়াজালে আটকে পড়ে ক্ষমতার দাস হয়ে পড়েন৷ কিন্তু সেনা পরিবারের মেয়ে হওয়া সূত্রে দেশ বলতে যে ঠিক কী বোঝায় তা জানেন রাধিকা৷ আর তাই নতুন উপায়ে দেশ এবং দেশের পরিবেশ রক্ষার কাজে নিজেকে নিয়োগ করেছেন তিনি৷
সর্বশেষ খবর
-
জরুরি অবতরণেও রক্ষা পেল না বিমান, রানওয়েতেই বিস্ফোরণ, ডমিনিকান রিপাবলিকে ভয়ংকর দুর্ঘটনা
-
এবার ‘বিদ্রোহী’ শিবিরে মমতার ‘ডান হাত’ ববি! সন্দীপনের সঙ্গে বিরোধী দলনেতার ঘরে ফিরহাদ
-
শ্যাম্পুতে স্রেফ এই তেল মেশালেই পাকা চুল হবে কুচকুচে কালো! ব্যবহার একদম সহজ
-
‘গ্রেপ্তার তো হয়েছেন, তাড়া কীসের!’ সুজিতের দ্রুত শুনানির আবেদন ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলে খারিজ হাই কোর্টের
-
বন্ধুত্বের ফাঁদ পেতে পরিচিত যুবকদের দিয়ে বান্ধবীকে ধর্ষণের ছক তরুণীর! দুর্গাপুর কাণ্ডে হাড়হিম তথ্য