Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
Attacks In India

ভারতে হামলার ছক ছিল দাউদের ‘ডান হাত’ মুন্নার! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই চক্রটি পাকিস্তান থেকে চার জন প্রধান চক্রীর নির্দেশে কাজ করছিল। এরা হল, মুন্না ঝিঙ্গাড়া, দিলাওয়ার খান, শাহজাদ ভাট্টি এবং আমির জাট। এরা সকলেই বর্তমানে পাকিস্তানে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। এদের মধ্যে মুন্না ঝিঙ্গাড়া ওরফে সৈয়দ মুদাসসর হোসেন অত্যন্ত দক্ষ বন্দুকবাজ এবং ভারতে একাধিক বড় জঙ্গি হামলার নেপথ্যের মূল ষড়যন্ত্রকারী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২৬, ১৬:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২৬, ১৬:২০

options
link
ভারতে হামলার ছক ছিল দাউদের ‘ডান হাত’ মুন্নার! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য zoom
প্রতীকী ছবি।

দিল্লি, মুম্বই ও দেশের অন্যান্য কয়েকটি এলাকায় ছিল বড়সড় আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার ছক। আর সেই ছক বানচাল করল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। রাজধানী দিল্লিতে আইএসআই এবং দাউদ ইব্রাহিমের মদতপুষ্ট একটি বড়সড় আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী মডিউল ফাঁস হওয়ার পরেই এই ষড়যন্ত্রের পিছনে উঠে এল অন্যতম প্রধান হ্যান্ডলার হিসাবে মুম্বই আন্ডার ওয়ার্ল্ডের কুখ্যাত বন্দুকবাজ দাউদ ইব্রাহিমের ডান হাত মুন্না ঝিঙ্গাড়া-র নাম।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই চক্রটি পাকিস্তান থেকে চার জন প্রধান চক্রীর নির্দেশে কাজ করছিল। এরা হল, মুন্না ঝিঙ্গাড়া, দিলাওয়ার খান, শাহজাদ ভাট্টি এবং আমির জাট। এরা সকলেই বর্তমানে পাকিস্তানে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। এদের মধ্যে মুন্না ঝিঙ্গাড়া ওরফে সৈয়দ মুদাসসর হোসেন অত্যন্ত দক্ষ বন্দুকবাজ এবং ভারতে একাধিক বড় জঙ্গি হামলার নেপথ্যের মূল ষড়যন্ত্রকারী। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এবং ডি-কোম্পানির (দাউদ ইব্রাহিম গ্যাং) হয়ে মুন্না ঝিঙ্গাড়া (যার আসল নাম সৈয়দ মুদাসসর হুসেন) এই মডিউলটি করাচি থেকে পরিচালনা করছিল। ধৃত অপরাধীরা তাকে ‘হ্যান্ডলার’ হিসাবে শনাক্ত করেছে। মুম্বইয়ের যোগেশ্বরী এলাকার বাসিন্দা ঝিঙ্গাড়া দীর্ঘদিন ধরে দাউদ এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছোটা শাকিল উভয়ের জন্যই কাজ করেছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সূত্রের খবর, ঝিঙ্গাড়ার গুলি চালানোর দক্ষতার উপর দাউদের এতটাই আস্থা ছিল যে, প্রায়শই তার ঘোর প্রতিদ্বন্দ্বীদের নির্মূল করতে ঝিঙ্গাড়াকে ব্যবহার করতেন। এই মডিউলের অর্থ ও সরঞ্জাম সরবরাহকারী ছিল নেপালের নাগরিক ‘লামা আং কামি’। থাইল্যান্ডের কারাগারে মুন্না ঝিঙ্গাড়ার সঙ্গে তার পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.