Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

পরিবারতন্ত্রের দিন শেষ, ফের চেনা অস্ত্রে রাহুলকে আক্রমণ মোদির

২০১৯-এ ৫০ শতাংশ ভোট পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা বিজেপির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০১৮, ২০:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০১৮, ২০:৩৯

options
link
পরিবারতন্ত্রের দিন শেষ, ফের চেনা অস্ত্রে রাহুলকে আক্রমণ মোদির zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্ণাটকের ভোটের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ১৫ মিনিটের চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। রাহুলের দাবি ছিল, ১৫ মিনিট বলতে দেওয়া হলে তাঁর সামনে দাঁড়াতেই পারবেন না মোদি। এর জবাব প্রধানমন্ত্রী দিয়েছিলেন পরিবারতন্ত্রের খোঁচা দিয়েই। ‘আপনি নামদার, আপনার অনেক সময় আছে, আমরা কামদার, কাজ করতে হয়, ১৫ মিনিট সময় আমাদের নেই। কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্রকে কটাক্ষ করে রাহুলকে খোঁচা দিয়েছিলেন মোদি।’

[জন্মদিনে দেবগৌড়াকে মোদির শুভেচ্ছা, ক্ষমা চাইলেন রাহুল]

ভোট মিটেছে, কংগ্রেসের থেকে ভাল ফলও করেছে বিজেপি। কিন্তু পরিবারতন্ত্রের এই অস্ত্রে শান দিতে ছাড়েননি নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার দলের শাখা সংগঠনগুলির বৈঠকে আরও একবার নাম না করে কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্রকে তোপ দাগলেন মোদি। দলের মোর্চা সংগঠনগুলির সমাবেশে মোদি বলেন, ‘পরিবারতন্ত্রের দিন শেষের দিকে। মানুষ এখন গুরুত্ব দিচ্ছে পরিশ্রমকে। নেতারা কাজ করে জনগণের মন জয় করার চেষ্টা করছেন।’ নাম না করলেও এরপর সরাসরি কংগ্রেসকে নিশানা করেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অন্য রাজনৈতিক দলগুলির কাছে পরিবারই প্রধান হতে পারে কিন্তু আমাদের কাছে দেশ সবার আগে।’

Advertisement

[কর্ণাটকে বিধায়কের দাম ২০০ কোটি! কালো টাকার রমরমায় প্রশ্নে মোদির নোট বাতিল]

লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে শাখা সংগঠনগুলির সম্মেলন আয়োজন করেছিল বিজেপি। সমাবেশে যুব মোর্চা, মহিলা মোর্চা, আদিবাসী মোর্চা-সহ দলের মোট ৭ টি শাখা সংগঠন অংশ নেয় সমাবেশে। হাজির ছিলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব-সহ অন্য শীর্ষ নেতারাও। সমাবেশে হাজির বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে মোদির বার্তা, ‘২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে এগিয়ে আসতে হবে তফসিলি জাতি, উপজাতি, মহিলা এবং যুব মোর্চাকে।’ মোদি বলছেন, ‘আগের সরকারের উপর যে ক্ষোভ মানুষের মনে ছিল তা বিজেপি সরকারের উপর নেই।’ মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় সরকারের জনস্বার্থমূলক প্রকল্পগুলির সুবিধার কথা পৌঁছে দিতে হবে। কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর।

[একক বৃহত্তম দল আরজেডি, বিহারে সরকার গড়ার দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ তেজস্বী]

অন্যদিকে, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ ২০১৯-এর জন্য ৫০ শতাংশ ভোট পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছেন দলীয় কর্মীদের। অমিত শাহ বলেছেন, বিজেপি যদি ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পায় তাহলে বিরোধী জোট কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়বে। বিজেপি নেতারা অমিত শাহের এই বক্তব্যকে আত্মবিশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বর্ণনা করলেও বিরোধীরা বলছেন, মোদি বিরোধী জোটকে ভয় পেয়েই এই মন্তব্য করেছেন অমিত শাহ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.