BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

অনুমতি দিল DCGI, শীঘ্রই ভারতে শুরু হচ্ছে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল!

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: August 3, 2020 9:38 am|    Updated: August 3, 2020 9:38 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর সময় নষ্ট নয়। এবার ভারতেও শুরু হচ্ছে অক্সফোর্ডের তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল। রবিবার গভীর রাতে টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউটকে এই ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের অনুমতি দিয়ে দিলেন ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (Drugs Controller General of India)। সরকারি আধিকারিকদের দাবি, সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রস্তাব ভাল করে খতিয়ে দেখার পরই ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল ভি জি সোমানি ভ্যাকসিনটির ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছেন।

অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রজেনেকার (Oxford-AstraZeneca) সঙ্গে চুক্তি করে ভারতে অক্সফোর্ডের ফর্মুলায় ডিএনএ ভ্যাকসিন তৈরি করছে সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (Serum Institute of India)। ভ্যাকসিনটির প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল শুরুর পরই অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি করে বিশ্বের বৃহত্তম টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থাটি। দেশের মাটিতে তৈরি হতে চলা টিকাটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘কোভিশিল্ড’। এই ‘ভ্যাকসিনটি’র প্রথম পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়াল আশানুরূপ ফল দিয়েছে। এবার এর দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষার ফলের অপেক্ষা। আশানুরূপ ফল পেলেই ভ্যাকসিনটি তৈরি করা শুরু করে দেবে বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট।

[আরও পড়ুন: রাম মন্দিরের ভূমিপুজোতেও করোনার কোপ! বেঁধে দেওয়া হল নিরাপত্তাকর্মীদের বয়স]

প্রথম পর্যায়ের সাফল্যের পরই ভারত সরকারের কাছে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনটির ট্রায়ালের জন্য আবেদন জানিয়েছিল সেরাম। কিন্তু সংস্থাটির প্রথম প্রস্তাব ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার পছন্দ হয়নি। গত মঙ্গলবার দ্বিতীয়বার সংশোধিত একটি প্রস্তাব দেয় সেরাম। এবার সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েছেন DCGI। সেরামের দেওয়া দ্বিতীয় প্রস্তাব অনুযায়ী, দেশের মোট ১৭টি জায়গায় ১৮ বছরের বেশি বয়সি ১ হাজার ৬০০ জনের শরীরে এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষা হবে। এই ১৭টি জায়গার মধ্যে দিল্লি এইমসও রয়েছে। DCGI সেরামকে নির্দেশ দিয়েছে, এই ১৭টি জায়গা যেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেছে নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, সেরাম ইতিমধ্যেই এই ভ্যাকসিন তৈরির চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। কর্ণধার আদর পুনাওয়ালা (Adar Poonawalla) আগেই জানিয়েছেন, সব ঠিক থাকলে নভেম্বরেই ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ ‘করোনা ভ্যাকসিনে’র ডোজ বাজারে চলে আসবে। আদর পুনাওয়ালার ঘোষণা, তাঁর সংস্থা যে ‘ভ্যাকসিন’ তৈরি করবে তার ৫০ শতাংশ ভারতীয় বাজারের জন্য বরাদ্দ থাকবে। বাকি ৫০ শতাংশ বাকি বিশ্বের জন্য।’

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement