Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
যন্তরমন্তরে অনশন

ধর্ষকদের দ্রুত শাস্তির দাবি, অনশনে বসতে বাধা দিল্লির মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনকে

কয়েক ঘণ্টার টানাপোড়েনের পরে অনুমতি দিতে বাধ্য হয় পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০১৯, ১৫:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০১৯, ১৫:৫৭

options
link
ধর্ষকদের দ্রুত শাস্তির দাবি, অনশনে বসতে বাধা দিল্লির মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনকে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্ষকদের দ্রুত শাস্তি ও হায়দরাবাদে গণধর্ষণের প্রতিবাদে যন্তর মন্তরে অনশনে বসতে চেয়েছিলেন দিল্লির মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন স্বাতী মালিওয়াল। মঙ্গলবার সকাল থেকেই এই কর্মসূচি শুরু করার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু, তাঁকে দিল্লি পুলিশ অনশনে বসতে বাধা দিচ্ছে বলে টুইট করে অভিযোগ জানালেন তিনি। এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে স্বাতী একটি চিঠি পাঠিয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। পরে অবশ্য লাগাতার প্রতিবাদের জেরে তাঁকে ধরনায় বসার অনুমতি দিতে বাধ্য হয় দিল্লি পুলিশ।

[আরও পড়ুন: রায় বিপক্ষে যাওয়ার শাস্তি! অযোধ্যা মামলা সরানো হল আইনজীবী রাজীব ধাওয়ানকে]

হায়দরাবাদের ঘটনার পাশাপাশি গোটা দেশেই ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। প্রতিবাদে সরব হয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সাধারণ মানুষও। তারপরও অবশ্য কোনও হেলদোল নেই ধর্ষকদের। তাই রাজস্থান থেকে উত্তরপ্রদেশ কিংবা ওড়িশার মন্দির শহর পুরীতেও ধর্ষণের শিকার হতে হচ্ছে মহিলাদের। বিষয়টি নিয়ে দুদিন ধরেই উত্তাল হয়ে উঠেছে সংসদ। পরিস্থিতি এমন জায়গায় দিয়ে দাঁড়িয়েছে যে জয়া বচ্চনের মতো সাংসদরা প্রকাশ্যে ধর্ষকদের পিটিয়ে মারার নিদান দিচ্ছেন। এই অবস্থায় ধর্ষকদের দ্রুত ও কড়া শাস্তির দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনের ডাক দেন স্বাতী মালিওয়াল। তারপর গোটা যন্তরমন্তর ব্যারিকেড দিযে ঘিরে ফেলেছে পুলিশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ঘুমন্ত দম্পতিকে খুনের পর বধূর দেহের সঙ্গে যৌনাচার, ছাড় পেল না নাবালিকা মেয়েও]

মঙ্গলবার এই বিষয়ে অভিযোগ জানিয়ে স্বাতী টুইট করেন, ‘পুলিশ কিছুতেই ওখানে অনশন করতে দিচ্ছে না আমাদের। এই কর্মসূচিকে আটকানোর জন্য গতরাতে যন্তর মন্তর এলাকা ব‍্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রেখেছিল তারা। আমাদের তাঁবু, মাইক ও ভ্রাম্যমান টয়লেট কোনও কিছুই ভিতরে নিয়ে যেতে দেয়নি। কারণ জানতে চাইলে প্রকাশ‍্যে বলছে, আমাদের অনশনে বসতে দেবে না। এদেশে কী একজন মহিলার শান্তিতে প্রতিবাদ করারও অনুমতি নেই? আমরা কি অপরাধী? বুঝতে পারছি না কেন এই বিষয়ে এত ভয় পাচ্ছে কেন্দ্র সরকার? এসব দেখে মনে হচ্ছে দেশে কি সত‍্যিই গণতন্ত্র আছে?’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.