Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
Himachal Pradesh

হিমাচল প্রদেশের দুর্যোগে মৃত বেড়ে ৭৫, ক্ষতি অন্তত ১০ হাজার কোটির, দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

দুর্যোগকে বিপর্যয় ঘোষণা করুক কেন্দ্র, দাবি মুখ্যমন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২৩, ১৬:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২৩, ১৬:৫০

options
link
হিমাচল প্রদেশের দুর্যোগে মৃত বেড়ে ৭৫, ক্ষতি অন্তত ১০ হাজার কোটির, দাবি মুখ্যমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh) প্রবল বৃষ্টি পরিস্থিতিকে বিপর্যয় বলে ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু। ইতিমধ্যেই সেরাজ্যে বৃষ্টি ও ধসের কারণে মৃতের সংখ্যা ৭৫ ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রায় দশ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে। এখনও শিমলার মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের তলায় অন্তত ছয়জনের দেহ চাপা পড়ে রয়েছে বলে অনুমান। বন্যা বিপর্যস্ত হিমাচলের পরিস্থিতিকে জাতীয় বিপর্যয় হিসাবে ঘোষণা করার দাবিতে কেন্দ্রকে চিঠি দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।

শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী সুখু জানিয়েছেন, এখনও রাজ্যের নানা প্রান্তে উদ্ধারকাজ চলছে। বিশেষত ধসের কারণে যাঁরা ঘরছাড়া হয়েছেন, তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিপর্যস্ত এলাকাগুলি ঘুরে দেখেছে কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল। সব মিলিয়ে প্রায় দশ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে গোটা হিমাচল প্রদেশে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রিন্টার থেকে বেরল আস্ত ডাকঘর! 3D ম্যাজিকে মুগ্ধ মোদি]

এহেন পরিস্থিতিতে শুক্রবার শিমলার মন্দিরের তলা থেকে আরও একজনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫। গত সোমবারই ধসের ফলে ভেঙে পড়ে শিমলার একটি বিখ্যাত মন্দির। বহু মানুষ আটকে পড়েন মন্দিরের তলায়। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু হলেও এখনও ধ্বংসাবশেষ পুরোপুরি সরানো যায়নি। উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা, অন্তত ছয়জন এখনও আটকে রয়েছেন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের তলায়।

প্রসঙ্গত, হিমাচল প্রদেশের ৫০৬টি রাস্তা এখনও বন্ধ হয়ে রয়েছে। বিকল হয়ে পড়েছে জল সরবরাহের ১৪৯টি প্রকল্প। এহেন পরিস্থিতিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। গোটা রাজ্যের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে বিধায়কদের তহবিল ব্যবহারের কড়াকড়িও তুলে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যা ক্ষতি হয়েছে সেই পরিকাঠামো গড়ে তুলতে আরও এক বছর সময় লাগবে।

[আরও পড়ুন: বাস্তবের ‘বব বিশ্বাস’, বাড়ির দরজা খুলতেই বিহারের সাংবাদিককে গুলি দুষ্কৃতীদের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.