BREAKING NEWS

১৪ কার্তিক  ১৪২৭  শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

অন্তিম যাত্রায় নৌবাহিনীর গর্বের রণতরী আইএএনএস বিরাট, ভেঙে ফেলা হবে গুজরাটের বন্দরে

Published by: Biswadip Dey |    Posted: September 19, 2020 4:59 pm|    Updated: September 19, 2020 4:59 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নৌসেনার সঙ্গে তার সম্পর্কের বয়স ৩০ বছর। ২০১৭ সালের আগস্টে অবসর নিয়েছিল ভারতীয় নৌসেনার গর্বের রণতরী আইএনএস বিরাট (INS Viraat)। এবার শুরু হল তার অন্তিম যাত্রা। শনিবার মুম্বইয়ের নৌবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে সে পৌঁছবে গুজরাটে (Gujrat)। সেখানকার আলং-এর এক বন্দরে ভেঙে ফেলা হবে বিরাটকে। বিক্রি করে দেওয়া হবে বর্জিতাংশ হিসেবে।

আইএনএস বিরাট কেবল নামেই নয়, কর্মজীবনেও সে কার্যত বিরাটত্বের পরিচয় দিয়েছে। ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’ অনুসারে বিশ্বে এই রণতরীর মতো এত দীর্ঘ সময় ধরে পরিষেবা দিতে পারেনি আর কোনও রণতরী। এদিন বিরাটকে নিয়ে এক আবেগঘন টুইট করেছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। এত মিনিটের এক ভিডিওয় শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছে তার এতদিনের যোদ্ধার প্রতি।

১৯৮৪ সালে ব্রিটিশ নৌবাহিনী থেকে বাতিল করা হয় এই রণতরীকে। সেই রণতরী কিনে নেয় ভারত। ১৯৮৭ সালে ভারতীয় নৌবাহিনীতে আইএনএস বিরাট নামে যোগ দেয় এই রণতরী। গত তিন দশকে ২২,৬২২ ঘণ্টা জলে ভেসে থেকেছে বিরাট। প্রায় ২,২৫২ দিনে সমুদ্রের বুকে পাড়ি দিয়েছে ৫,৮৮,২৮৭ নর্টিক্যাল মাইল (১০,৯৪,২১৫ কিমি)। সেই হিসেবে বিরাট সমুদ্রের বুকে কাটিয়েছে প্রায় সাত বছর! ২৭ বার প্রদক্ষিণ করেছে বিশ্বকে।

[আরও পড়ুন: করোনা যোদ্ধাদের উপরে হামলা করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের জেল, রাজ্যসভায় পাশ নয়া বিল]

বিরাটের শেষযাত্রায় তার সঙ্গী নৌবাহিনীর এক হেলিকপ্টার। বিরাটের মাথার উপরে খোলা আকাশে উড়ে চলে তার এই শেষ যাত্রাকে রাজসিক এক পূর্ণতা দেবে ওই হেলিকপ্টার। প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক মুখপাত্র জানাচ্ছেন, বিরাট শুক্রবারই মুম্বই বন্দর ছেড়ে যাত্রা করত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। একদিন পরে শনিবার শুরু হয়েছে তার অন্তিম যাত্রা। গুজরাটে পৌঁছতে দু’দিন লাগবে বিরাটের।

[আরও পড়ুন: ‘পাড়ার আন্টির মতো দেখতে বলেই আমাকে নিয়ে এত রসিকতা’, বিরোধীদের তোপ নির্মলার]

আইএনএস বিরাটের মতো ঐতিহ্যবাহী এক যুদ্ধজাহাজকে অবসরের পর জাদুঘর কিংবা রেস্তোরাঁ করে ফেলার ‌পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও পরিকল্পনাই সফল হয়নি। অবশেষে সিদ্ধান্ত হয় তাকে ভেঙে ফেলে বর্জিতাংশ হিসেবে বিক্রি করে দেওয়া হবে। গুজরাটের আলং-এর শ্রীরাম গ্রুপ নিলামে এটি কিনে নেয়।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement