Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
তন্ত্রসাধনার বলি মহিলা

তন্ত্রসাধনার বলি! তেলেঙ্গানার জঙ্গলে উদ্ধার মহারাষ্ট্রের মহিলার পচাগলা দেহ

বিষয়টিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২০, ১৪:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২০, ১৪:০৬

options
link
তন্ত্রসাধনার বলি! তেলেঙ্গানার জঙ্গলে উদ্ধার মহারাষ্ট্রের মহিলার পচাগলা দেহ zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহিলার পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা ছড়াল তেলেঙ্গানায়। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে নগরকুর্নুল জেলার একটি জঙ্গলে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, ওই মহিলাকে বলি দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুরে তেলেঙ্গানার নগরকুর্নুল জেলার একটি জঙ্গলের মধ্যে এক মহিলার পচাগলা মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন কয়েকজন মানুষ। সঙ্গে সঙ্গে বনদপ্তরের কর্মীদের খবর দেন তাঁরা। আর বনদপ্তরের কর্মীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছায় স্থানীয় থানার পুলিশ। তারপর মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মৃতদেহের কাছে পড়ে থাকা মহিলাটির আধার ও প্যান কার্ড দেখে জানা গিয়েছে যে তিনি মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: হিন্দু মহাসভার সভাপতির খুনিকে ধরতে মরিয়া পুলিশ, প্রকাশ্যে সন্দেহভাজনদের ছবি ]

 

পুলিশ সূত্রে খবর, বনদপ্তরের কর্মীদের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃতদেহের কাছে একটি আধার ও প্যান কার্ড পড়েছিল। তা থেকে জানা গিয়েছে যে ৫০ বছরের ওই মহিলা মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। ঘটনাটির তদন্তও শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ওই মহিলাকে মহারাষ্ট্র থেকে তেলেঙ্গানায় নিয়ে এসে বলি দেওয়া হয়েছে।

[আরও পড়ুন: অসমে তেলের পাইপলাইনে বিস্ফোরণ, নদীবক্ষে দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন]

 

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কয়েকমাস আগে এক যুবতী পশু চিকিৎসকের গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল তেলেঙ্গানা। হায়দরাবাদের সামসাবাদে ঘটা ওই নশংস ঘটনার নিন্দায় সরব হয়ে উঠেছিল গোটা দেশ। পুলিশের গাফিলাতির জেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ জানিয়েছিলেন মৃত যুবতীর পরিবার। এরপরই কর্তব্যে গাফিলাতির অভিযোগে তিন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করে রাজ্য প্রশাসন। পাশাপাশি চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারও করা হয়। আর গ্রেপ্তারির পরেই অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবিতে সরব হয়ে ওঠে বিভিন্ন স্তরের মানুষ। যদিও তার আর দরকার হয়নি। কারণ, ঘটনাটির পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশি এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় চার ধর্ষকের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.