Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Delhi Blast

নজরে জঙ্গি ‘ডক্টর মডিউল’, পাক-চিন-বাংলাদেশের ডিগ্রি পাওয়া চিকিৎসকদের তথ্য তলব দিল্লি পুলিশের

রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে নোটিস পুলিশের

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ০৯:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ০৯:৩৮

options
link
নজরে জঙ্গি ‘ডক্টর মডিউল’, পাক-চিন-বাংলাদেশের ডিগ্রি পাওয়া চিকিৎসকদের তথ্য তলব দিল্লি পুলিশের zoom

স্টাফ রিপোর্টার, নয়াদিল্লি: ফরিদাবাদের ‘ডক্টর মডিউল’-এর খোঁজে এবার দেশের রাজধানীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে তত্ত্বতালাশ শুরু করল দিল্লি পুলিশ। শনিবার হাসপাতালগুলিকে একটি নোটিস পাঠিয়েছে দিল্লি পুলিশ। জানতে চেয়েছে, তাদের সংস্থায় কর্মরত এমন কোনও ডাক্তার রয়েছেন কি না, যাঁরা পাকিস্তান, বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও চিন থেকে ডাক্তারি শিক্ষা নিয়েছেন। দিল্লি পুলিশের সূত্র মারফত পাওয়া খবর অনুযায়ী, যে নোটিস এদিন জারি করা হয়েছে তাতে হাসপাতালগুলিকে দ্রুত এমন ডাক্তারদের সবিস্তার তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষত, তাঁদের নাম এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সমস্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য জমা দিতে হবে।

১০/১১ লালকেল্লা বিস্ফোরণে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ‘ডাক্তার’-রা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত ছিল, তাদের পাকিস্তান, আফগানিস্তান-সহ আরও অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগসূত্রের ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই পাওয়া গিয়েছে তদন্তে। এবার তদন্তকারীরা দেখেতে চাইছেন, বর্তমানে দিল্লিতে কর্মরত আর ক’জন ডাক্তার এমন রয়েছেন, যাঁদের সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু সংবেদনশীল দেশের যোগ রয়েছে। সেই লক্ষ্যেই এই নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

অন্যদিকে, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে হানা দিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ উদ্ধার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্ত ড: শাহিন সইদকে সঙ্গে নিয়ে আল ফালাহ গিয়েছিলেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেখানে ২২ নম্বর ঘর থেকে নগদ ১৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়। এই ঘরেই থাকত শাহিন। একটি আলমারিতে পলিথিন প্যাকেটে মুড়ে রাখা ছিল নোটের বান্ডিল। কীভাবে ও কোথা থেকে এত নগদ টাকা এল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য, শাহিন ও আরেক সন্ত্রাসবাদী মুজাম্মিল শাকিল গত ২৫ সেপ্টেম্বর নগদেই কিনেছিল রুপোলি রংয়ের মারুতি সুজুকি ব্রিজা গাড়ি। এই গাড়িটিও রয়েছে সেই ৩২টি গাড়ির তালিকায়, যার মাধ্যমে বিস্ফোরক ও তা তৈরির সরঞ্জাম বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হত। পাশাপাশি, ঘাতক উমরের ফোনের সূত্র ধরে উত্তরাখণ্ড থেকে শনিবার এক ইমাম-সহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.