Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু রাম রহিম

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নেমেছে সেনা, জারি কারফিউ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১৬:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১৬:২৬

options
link
ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু রাম রহিম zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংকে দোষী সাব্যস্ত করল বিশেষ সিবিআই আদালত।

আদালতের নির্দেশ প্রকাশ্যে আসতেই হরিয়ানা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। জায়গায় জায়গায় ধর্মগুরুর ভক্তদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ বাধে। পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। শেষ পাওয়া খবরে, অভিযুক্ত রাম রহিমকে চপারে করে রোহতকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পঞ্চকুলায় সাধারণ মানুষের বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ডেরা সদস্যদের বিরুদ্ধে। পাঞ্জাবের স্টেশনে আগুন ধরিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা।

Advertisement

[ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, থমথমে চণ্ডীগড়ে মোতায়েন সেনা ও পুলিশ]

এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। কারফিউ জারি রয়েছে পাঞ্জাবের তিনটি টাউনে। দুষ্কৃতীরা সংবাদমাধ্যমের গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ছোড়ে। ডেরার সদর দপ্তর সিরসাতেও চূড়ান্ত উত্তেজনা রয়েছে। পঞ্চকুলাতেও কার্যত কারফিউর পরিবেশ। পুলিশকে শূন্যে গুলি চালাতে হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে পর্যাপ্ত সেনা।

এদিনের রায় দানকে ঘিরে ‘নাটক’ কিছু কম হয়নি। বেলা আড়াইটে নাগাদ রায় দানের কথা থাকলেও ৩০-৪৫ মিনিট এই নির্দেশ গোপন রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। ডেরা সদস্যরা রাস্তায় নেমে উৎসবে শামিল হন। কিন্তু সময় এগোতেই ছবিটা পালটে যায়।

[জানেন, কীভাবে ফাঁস হয়েছিল গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের কুর্কীতি?]

২০০২-এর একটি ধর্ষণের মামলার অভিযোগে ডেরা সাচা সওদার প্রধান গুরমিত রাম রহিমের বিরুদ্ধে তদন্তের ভার পায় সিবিআই। শুক্রবার পঞ্চকুলায় বিশেষ সিবিআই আদালতে এই মামলার শুনানির আগে কার্যত দুর্গের চেহারা নেয় হরিয়ানা ও পাঞ্জাব। নামানো হয় ব্যাপক পুলিশ ও সেনাবাহিনী।

১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রায় ২০০ বার শুনানি হওয়ার পর এদিন বিতর্কিত ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলায় রায় দেয় আদালত।



নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.