BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

অজিতের সঙ্গে হাত মেলানো উচিত হয়নি, দলের অন্দরেই ফড়ণবিসকে নিয়ে ক্ষোভ

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: November 27, 2019 5:26 pm|    Updated: November 27, 2019 5:26 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহানাটকীয় পটপরিবর্তনে মহারাষ্ট্র হাতছাড়া হওয়ার পর দলের মধ্যেই ক্ষোভের মুখে দেবেন্দ্র ফড়ণবিস। ২৪ ঘণ্টা পার হয়েছে তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর। তার মধ্যেই ফড়ণবিসকে দোষারোপের পালা শুরু হয়েছে বিজেপির অন্দরে। অজিতের সঙ্গে হাত মেলানোই কাল হয়েছে বলে কটাক্ষ করেছেন মহারাষ্ট্রের বিজেপি নেতা একনাথ খাড়সে। প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের মতে, যাঁর মাথায় পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর সঙ্গে হাত মেলানো কোনওমতেই উচিত হয়নি ফড়ণবিসের।

গেরুয়া শিবিরে ফড়ণবিসের সমালোচক হিসাবে বরাবর পরিচিত খাড়সে। প্রাক্তন এই মন্ত্রী চাঁচাছোলা ভাষায় এদিন কটাক্ষ করে বলেন, ‘দুর্নীতিবাজ অজিত পওয়ারের সঙ্গে হাত মেলানো উচিত হয়নি দলের।’ সূত্রের খবর, বিজেপির সঙ্গে হাত মেলানোর পুরস্কার হিসাবে সেচ দুর্নীতি-সহ নয়টি ফৌজদারি মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু মহারাষ্ট্রের দুর্নীতিদমন শাখার এক শীর্ষ আধিকারিক সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন, যে নয়টি মামলার তদন্ত বন্ধ হয়েছে তার একটাও অজিত পওয়ারের সঙ্গে জড়িত নয়।

[আরও পড়ুন: ফিকে হচ্ছে মোদি ম্যাজিক! একের পর এক বড় রাজ্য হাতছাড়া বিজেপির]

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের সেচ দপ্তরের মন্ত্রী ছিলেন শরদ পওয়ারের ভাইপো অজিত। সেইসময় বিদর্ভ সেচ উন্নয়ন নিগমের ছাড়পত্র ছাড়াই ৩৮টি প্রকল্পের অনুমোদন দেন তিনি। টেন্ডারে বিস্তর গড়মিল ছিল। ৭০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে ওই দশ বছরে। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট বিজেপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য বিধানসভায় আস্থাভোটের নির্দেশ দিতেই উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন অজিত পওয়ার। বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করেন ফড়ণবিসও।

[আরও পড়ুন: ঘরে ফিরেই এনসিপির গুরুত্বপূর্ণ পদে অজিত পওয়ার! পেতে পারেন বড় মন্ত্রিত্বও]

একনাথ খাড়সে সেই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘আস্থাভোটে গেলে আরও মুখ পুড়ত। তাই পদত্যাগ করেছেন অজিত। এটা হবে জানাই ছিল।’ অজিতের সঙ্গে হাত মেলানোর বদলে শিব সেনার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে সমঝোতায় গেলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যেত বলে মত বিজেপি নেতার।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement