সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেন্দ্রে তিন বছর পূর্ণ করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। পাশাপাশি অসমেও ঐতিহাসিক জয় পেয়ে ক্ষমতার প্রথম বর্ষপূর্তি বিজেপির। এই উপলক্ষে দেশের উত্তরপুর্বাঞ্চলকে দেশের দীর্ঘতম সেতু উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার ধলা-শদিয়া সেতুর উদ্বোধন করে অসমের বিখ্যাত গায়ক প্রয়াত ভূপেন হাজারিকার নামে সেতুটির নামকরণ করলেন মোদি।
[নাবালিকাকে গণধর্ষণের মূহূর্ত ভিডিও করল দুষ্কৃতীরা]
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কংগ্রেস সরকারকে একহাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৎকালীন ইউপিএ সরকারের গাফিলতির জন্যই গুরুত্বপূর্ণ সেতুটির জন্য জনগণকে প্রায় পাঁচ দশক অপেক্ষা করতে হয়েছে। ২০০৪ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ীর সরকার যদি ক্ষমতায় আসত, তা হলে দশ বছর আগেই সেতুটির নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়ে যেত। এই সেতুটি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীর স্বপ্নের প্রকল্প ছিল বলেও জানিয়েছেন মোদি। এদিন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনওয়ালের নেতৃত্বে অসম সরকারের ভূয়সী প্রসংশা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, মাত্র এক বছরের বিজেপির শাসনকালে অসমের অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে। এবং ভবিষ্যতে রাজ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে এই সরকার।

তিনসুকিয়া জেলায় ব্রহ্মপুত্রের উপর সদ্যনির্মিত দেশের দীর্ঘতম ভূপেন হাজারিকা সেতু (ধলা-শদিয়া) ৯.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। এই সেতু তৈরির ফলে অসম ও অরুণাচল প্রদেশের মধ্যে যাতায়াতের জন্য অন্তত ৪ ঘন্টা সময় বাঁচবে। ভারত-চিন সীমান্তের খুব কাছে থাকা এই ব্রিজ ৬০ টনের ব্যাটল ট্যাঙ্কের ওজন বহনেও সক্ষম৷ অসম ও অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দাদের পাশাপাশি ভারতীয় সেনাও এই সেতু ব্যবহার করে ভারত-চিন সীমান্তে দ্রুত ব্যাটল ট্যাঙ্ক নিয়ে পৌঁছে যেতে পারবে৷ ২০১১ সালে এই সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়৷ গোটা প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ৯৫০ কোটি টাকা খরচ হয়৷ নয়া সেতুটি চালু হওয়ার ফলে তিনসুকিয়ায় রেল ও ডিব্রুগড় বিমানবন্দরে পৌঁছাতে সাধারণ মানুষের যে সুবিধা হবে তা বলাই বাহুল্য৷
[করণের জন্মদিনে ভাইরাল আরিয়ান ও সারার ছবি, মাঝে শাহরুখ]
নতুন সেতুটির অবস্থান অসমের রাজধানী দিসপুর থেকে ৫৪০ কিলোমিটার দূরে ও অরুণাচলের রাজধানী ইটানগর থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে। কিন্তু চিন সীমান্ত থেকে আকাশপথে এর দূরত্ব মাত্র ১০০ কিলোমিটার। মুম্বইয়ের বান্দ্রা-ওয়ারলি সামুদ্রিক সেতুর চেয়েও নয়া ব্রিজটি ৩.৫৫ কিলোমিটার লম্বা৷ এতদিন তেজপুরের কাছে কালিয়াভোমরা ব্রিজ ছাড়া ৩৭৫ কিলোমিটার দূরে ধলা পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্রর উপর আর কোনও ব্রিজ ছিল না৷ নদীর দুই পারে যাতায়াতের জন্য জলপথই ছিল একমাত্র ভরসা৷ এই নয়া সেতু যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে৷

সর্বশেষ খবর
-
কম সুদে চটজলদি লোন পাইয়ে দেওয়ার ছক! বড়সড় প্রতারণাচক্রের পর্দাফাঁস লালবাজারের
-
‘একতরফা পদক্ষেপ নয়’, সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্কে আমেরিকাকে আলোচনায় বসার বার্তা ভারতের
-
অবিশ্বাস্য লড়াইয়েও শেষরক্ষা হল না মুচোভার, ‘চেক-মেটে’ উইম্বলডনের নতুন রানি নোসকোভা
-
বীরগাথা থেকে দেশভাগের যন্ত্রণা, বাংলায় পার্টিশন মিউজিয়াম বানানোর প্রস্তাব গোপাল পাঁঠার পরিবারের
-
প্রথমে দু’হাজার, তারপর দৈনিক ৩ লক্ষ টাকা! রামমন্দিরে চুরির তদন্তে স্বীকারোক্তি অভিযুক্তের