Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Digital Arrest

১৭ দিন ধরে চিকিৎসক দম্পতিকে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’, ১৪ কোটি হাতিয়ে উধাও প্রতারকরা

দেশজুড়ে মাকড়সার জালের মতো ছড়িয়ে পড়েছে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ প্রতারণার ফাঁদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৯:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৯:১৬

options
link
১৭ দিন ধরে চিকিৎসক দম্পতিকে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’, ১৪ কোটি হাতিয়ে উধাও প্রতারকরা zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশজুড়ে মাকড়সার জালের মতো ছড়িয়ে পড়েছে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ প্রতারণার ফাঁদ। সেই প্রতারণার ফাঁদে পড়ে সর্বশান্ত হলেন এক চিকিৎসক দম্পতি। প্রায় ১৪ কোটি টাকা খুইয়েছেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে ওই দম্পতিকে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ করে রাখা হয় বলেও দাবি। তার মধ্যে এই সমস্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। দক্ষিণ দিল্লির গ্রেটার কৈলাশ এলাকায়। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। কীভাবে এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, প্রবীণ ওই চিকিৎসক দম্পত্তি ডক্টর ওম তানিজা এবং তাঁর স্ত্রী ইন্দিরা তানিজা গ্রেটার কৈলাশ এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘ প্রায় ৪৮ বছর আমেরিকায় বসবাস করেছেন। রাষ্ট্রসংঘেও হয়েও কাজ করেছেন ওই চিকিৎসক দম্পতি। যদিও ২০১৫ সালে তাঁরা ভারতে ফিরে আসেন। বর্তমানে দিল্লির ওই এলাকায় বসবাস করছেন। তবে ছেলেরা বিদেশে থাকায় বাড়িতে একাই থাকেন ওই চিকিৎসক দম্পত্তি।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি সকালের মধ্যে চিকিৎসক দম্পত্তির সঙ্গে প্রতারণার ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিয়ে ওই দম্পতিকে নজরদারিতে রেখেছিল। তদন্তকারীদের দাবি, ভিডিও কলের মাধ্যমে তাঁদের ‘ডিজিটাল অ্যাারেস্ট’ করে রাখা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, এই সময়ে ইন্দিরা তানিজার ৮ টি ব্যাঙ্ক থেকে ধাপে ধাপে মোট ১৪.৮৫ কোটি টাকা প্রতারকারা ছিনিয়ে নিয়েছিল।

সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে ওই দম্পত্তি জানিয়েছে, নানাভাবে প্রতারকরা তাঁদের ভয় দেখাতো। এমনকী অ্যারেস্ট করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। গত ১০ জানুয়ারি ওই দম্পতি বুঝতে পারেন তাঁরা প্রতারণার জালে জড়িয়ে পড়েছেন। এরপরেই দিল্লি পুলিশে অভিযোগ জানান ওই দম্পত্তি। অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখা। বলে রাখা প্রয়োজন, ‘ডিজিটাল অ্যারেস্টে’র নাম করে প্রতারণা, ক্রমশ মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে উঠছে তদন্তকারীদের। কখনও সিবিআই, আবার কখনও ইডি কিংবা অন্যান্য কেন্দ্রীয় সংস্থার নাম করে ফোন করার পর ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। সাইবার প্রতারণার থেকে বাঁচতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সচেতনতা মূলক প্রচারও করা হচ্ছে। তারপরও দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্টে’র শিকার হওয়ার খবর আসতেই থাকছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.