Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৬ জুলাই ২০২৬

‘গুন্ডা’ আইন এখন কি গুন্ডাগিরির নামান্তর, উত্তর খুঁজছে তামিলনাড়ু?

আইনের অপপ্রয়োগের অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০১৭, ১২:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০১৭, ১২:০০

options
link
‘গুন্ডা’ আইন এখন কি গুন্ডাগিরির নামান্তর, উত্তর খুঁজছে তামিলনাড়ু? zoom
ছবিটি প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এলাকায় পাইপলাইন বসানোর প্রতিবাদে পুস্তিকা বিলি করছিলেন সাংবাদিকতা পাঠরত এক পড়ুয়া। ইলমপন্থী সংগঠনের ব্যানারে এক ব্যক্তি মোমবাতি মিছিলের আয়োজন করেছিলেন। একজনের দোষ ছিল তিনি অজান্তে কয়েকটি জাল সিডি কিনেছিলেন। এই উদাহরণগুলির মধ্যে মধ্যে মিল পাওয়া শক্ত। তবে প্রত্যেকেই বিতর্কিত গুন্ডা আইনের শিকার। ব্রিটিশ জমানা থেকে শুরু হওয়া এই আইনে নাজেহাল তামিল জনতার একাংশ। ছোটখাট ভুলের জন্য তাদের পাহাড় প্রমাণ শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।গুন্ডা আইনের নামে তামিলনাড়ু সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হলেও কালা আইন থেকে মুক্তি নেই।

[মলের ভিতর সোনার হার খুঁজতে স্টেশন মাস্টার কী করলেন জানেন?]

সরকার বিরোধী আন্দোলনের অভিযোগ নেই। নেই বড় কোনও রাহাজানির অভিযোগ। অপরাধ তেমন কিছু না থাকলেও তামিলনাড়ুতে কার্যত বিনা তদন্তে সাধারণ মানুষকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। অভিযুক্তরা আদালতে নিজেদের কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন না। তার আগেই জেলে পুরে দেওয়া হচ্ছে। দক্ষিণের এই রাজ্যে গত কয়েক বছরে গ্রেপ্তারির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। এই নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের অভিযোগের শেষ নেই। ধরপাকড়ের নেপথ্যে রয়েছে গুন্ডা আইন। ভুক্তভোগীদের বক্তব্য, তাদের যে কারণে ধরা হচ্ছে তা গুন্ডা আইনে নেই। ওই আইনে স্পষ্ট বলা আছে যে ব্যক্তি বেআইনি আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায় যুক্ত তাকে গ্রেপ্তার করা যেতে পারে। ড্রাগ কারবারি, মানব পাচারকারী, কাঠ চোরাচালানকারী, বালি মাফিয়াদের এই আইনে ধরার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর অপব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ। মধ্য প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, কর্নাটক, পাঞ্জাব এবং তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলির হাতে গুন্ডা আইনে বিষয়ে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[এটাই ভারতবর্ষ, বন্দুক হাতে সম্প্রীতি রক্ষায় ঠায় দাঁড়িয়ে জওয়ান]

ব্রিটিশ জমানায় ১৯২৩ সালে বাংলায় প্রথম এই আইন প্রয়োগ হয়। পরে ধীরে ধীরে অন্যান্য রাজ্যে চালু হয়। আইনের অপপ্রয়োগ নিয়ে একমত চেন্নাইয়ের আইনজীবীদের বড় অংশ। তাদের বক্তব্য, প্রশাসন ঝামেলা এড়াতে সহজ রাস্তা নিচ্ছে। তার ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। গুন্ডা অর্থে আমরা সাধারণ দাগী দুষ্কৃতী বলতে বুঝি। তবে সেই বন্ধনীর মধ্যে অন্যদের যাতে আর না ফেলা হয় তার জন্য তামিলনাড়ুতে আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.