Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Madhya Pradesh

অ্যালকোহলে ডোবানো ৭৯৫টি কুকুরের যৌনাঙ্গ! বন্ধ্যাত্বকরণ নিয়ে বড় দুর্নীতি বিজেপিশাসিত মধ্যপ্রদেশে

এত বিপুল সংখ্যক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ উদ্ধার হওয়ায় উদ্বিগ্ন পশু চিকিৎসকরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ২০:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ২০:০৭

options
link
অ্যালকোহলে ডোবানো ৭৯৫টি কুকুরের যৌনাঙ্গ! বন্ধ্যাত্বকরণ নিয়ে বড় দুর্নীতি বিজেপিশাসিত মধ্যপ্রদেশে zoom
প্রতীকী ছবি।

মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) মণ্ডলায় কুকুরের বন্ধ্যাত্বকরণকে কেন্দ্র করে এক সাংঘাতিক অভিযোগ উঠেছে। একটি বাড়ি থেকে ড্রামে ডোবানো ৭৯৫টি কুকুরের যৌনাঙ্গ উদ্ধারের পর থেকেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সন্দেহ, কোনও বড়সড় জালিয়াতির চেষ্টা করেছে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

ঠিক কী অভিযোগ? মণ্ডলা পুর কাউন্সিল কুকুরের বন্ধ্যাত্বকরণ নিয়ে একটি টেন্ডার প্রকাশ করে। সেখানে কুকুরপিছু ৬৭৯ টাকা ধার্য করা হয়। শেষপর্যন্ত জব্বলপুরের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সেই টেন্ডারটি পায়। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, একটি কুকুরেরও বন্ধ্যাত্বকরণ করা হয়নি। বারংবার বলা সত্ত্বেও পরিস্থিতি বদলায়নি। এমতাবস্থায় গত ২ এপ্রিল মা অম্বে এন্টারপ্রাইজেস নামের ওই সংস্থার চুক্তি বাতিল হয়ে যায়।

Advertisement

এর মধ্যেই পশুপ্রেমী নিশা সিং অভিযোগ করেন, ওই সংস্থার ভাড়া নেওয়া একটি বাড়িতে তিনি সন্দেহজনক কার্যকলাপ লক্ষ করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ, তহসিলদার, পশু চিকিৎসক ও পুরসভার কর্মীদের একটি দল তৈরি করা হয়। পরে সেই যৌথ বাহিনী সেখানে তল্লাশি চালায়। আর তারপরই আবিষ্কৃত হয় ঘরটির মধ্যে দু’টি ড্রামের ভিতরে সংরক্ষিত রয়েছে ৭৯৫টি কুকুরের যৌনাঙ্গ। যার মধ্যে ৫১৮টি পুরুষ ও ২৭৭টি স্ত্রী কুকুরের যৌনাঙ্গ। অভিযোগ,ওই অঙ্গগুলি বাইরে থেকে আনা হয়েছে। এবং জমিয়ে রাখা হয়েছে বন্ধ্যাত্বকরণের ভুয়ো দাবিকে প্রতিষ্ঠার কাজে লাগানো হবে বলে।

মণ্ডলা পুর কাউন্সিল কুকুরের বন্ধ্যাত্বকরণ নিয়ে একটি টেন্ডার প্রকাশ করে। সেখানে কুকুরপিছু ৬৭৯ টাকা ধার্য করা হয়। শেষপর্যন্ত জব্বলপুরের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সেই টেন্ডারটি পায়। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, একটি কুকুরেরও বন্ধ্যাত্বকরণ করা হয়নি।

পশু চিকিৎসকরাও এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রচলিত কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে পশু চিকিৎসক সুমিত প্যাটেল বলেন, ”বন্ধ্যাকরণ প্রক্রিয়ায় পুরুষ কুকুরের ক্ষেত্রে অণ্ডকোষ এবং স্ত্রী কুকুরের ক্ষেত্রে ডিম্বাশয় ও জরায়ু অপসারণ করা হয় বটে। কিন্তু এত বিপুল সংখ্যক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ উদ্ধার হওয়ায় বিষয়টি গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।” ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। শিগগিরি এই বিষয়ে বড় কোনও খবর পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.