সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রস্তাবিত তিন সন্তান নীতি নিয়ে এবার আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতকে তোপ এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসির। হায়দরাবাদের সাংসদের প্রশ্ন, “ভারতীয় মহিলাদের উপর ৩ সন্তানের চাপ কেন দিতে চাইছেন আরএসএস প্রধান?”
দেশের জনসংখ্যার হার ঠিক রাখতে সব দম্পতির উচিত ৩ সন্তান নেওয়ার কথা ভাবা। দিন দুই আগেই সংঘের এক অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নিদান দিয়েছিলেন সরসংঘপ্রধান মোহন ভাগবত। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের ১০০ বছর সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার মোহন ভাগবত বলেন, “ভারতের জনসংখ্যা নীতিতে ২.১ সন্তান জন্মের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে, এর অর্থ একটি পরিবারে দু’টি নয় তিনটি সন্তান থাকা উচিত। প্রতিটি নাগরিকের লক্ষ্য হওয়া উচিত তার পরিবারে যেন তিন সন্তান থাকে।” সংঘপ্রধানের বক্তব্য, জনসংখ্যা দেশের সম্পদ। তাই সেটার হার যাতে কমে না যায়, তা নিশ্চিত করা নাগরিকদের কর্তব্য।
অধিকাংশ বিরোধী দলই ভাগবত নিদানের বিরোধিতা করেছে। তবে সংঘপ্রধানের বিরুদ্ধে সুর সপ্তমে চড়ালেন ওয়েইসি। তাঁর বক্তব্য, এতদিন দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য এই আরএসএসই মুসলিমদের দায়ী করত। যেখানে বাস্তব হলে দেশে মুসলিমদের জন্মহার কমেছে। আর হিন্দুদের বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে আবার ৩ সন্তান নীতির কথা কেন? ওয়েইসির প্রশ্ন, “আজ দাঁড়িয়ে আপনি বলছেন, এবার থেকে ৩ সন্তানের জন্ম দিতে হবে। মানুষের ব্যক্তিজীবনে প্রবেশ করার আপনি কে?” হায়দরাবাদের সাংসদের প্রশ্ন, “ভারতীয় মহিলাদের জীবন নিয়ে নিজস্ব পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁদের উপর কেন এভাবে ৩ সন্তানের বোঝা চাপানো হচ্ছে?” এটা সংঘের দ্বিচারিতা ছাড়া কিছুই নয়।
বস্তুত, এই মুহূর্তে ভারতের জনসংখ্যা ঊর্ধ্বমুখীই। অদূর ভবিষ্যতে জনসংখ্যায় অধোগতির সম্ভাবনা আছে বটে। কিন্তু ওয়াকিবহাল মহলের মতে ভগবতের ওই নিদানের পিছনে জনসংখ্যার গ্রাফ বজায় রাখার থেকেও বেশি গুরুত্ব পেয়েছে হিন্দু জনসংখ্যা বাড়ানো। এবার পালটা এল ওয়েইসির তরফে।
সর্বশেষ খবর
-
ইমরানকে অপমান পাক ক্রিকেটারদেরই! লজ্জাজনক কাণ্ড বাবরদের, নেপথ্যে রাজনীতির উসকানি?
-
ফিফার আধিকারিকদের কোটি কোটি টাকা ঘুষ! বিশ্বকাপের পর বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি দুই আর্জেন্টাইনের
-
প্রিয়রঞ্জনের নামে ইলেক্ট্রিক বিলই ১৪ বছর পর খুলল কংগ্রেস কার্যালয়ের দরজা! রাখিতেই উদ্বোধন
-
দুধ গরম বিতর্ক অতীত! ফুটপাথবাসীর হাতে রাখি বাঁধলেন অগ্নিমিত্রা, খুদেদের লাড্ডু-চকোলেট উপহার
-
আরএসএসের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়া ‘অপরাধ’, দুই শিক্ষককে সাসপেন্ড করল কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার