সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হল শহিদ জওয়ান ঔরঙ্গজেবের। জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চে চোখের জলে শেষ বিদায় জানানো হয় তাঁকে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারকে জঙ্গিনিধনের কাজ জারি রাখার অনুরোধ শহিদ জওয়ানের বাবার।
[“ধর্মকে বাঁচানোর জন্যই খুন করেছি গৌরী লঙ্কেশকে”, স্বীকারোক্তি অভিযুক্তর]
৪৪ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসে নিযুক্ত ছিলেন ঔরঙ্গজেব। মেজর রোহিত শুক্লার দলে ছিলেন তিনি। হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গি সমীর টাইগারকে পাকড়াওয়ের অপারেশন যুক্ত ছিলেন ঔরঙ্গজেব। বহু বছর পর ইদে বাড়ি ফেরার কথা ছিল তাঁর। ১৪ জুন সোপিয়ান থেকে একটি গাড়ি করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। গন্তব্য, রাজৌরিতে নিজের বাড়ি। কিন্তু পথেই ঘটে বিপত্তি। কালামপোরার কাছে গাড়িতে ওঠে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী। গাড়ি থেকেই অপহরণ করা হয় ওই জওয়ানকে। ঘটনার পরেরদিন কালামপোরা থেকে দশ কিলোমিটার দূরে গুসুতে উদ্ধার হয় ঔরঙ্গজেবের গুলিবিদ্ধ দেহ। পুলিশসূত্রে খবর, তাঁর মাথা ও গলায় ছিল গুলির চিহ্ন।
তদন্তকারীদের দাবি, জওয়ানের অপহরণ ও খুনের ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে জঙ্গিযোগ। লস্কর-ই-তৈবা ও হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গি সংগঠনের মোট চারজন জঙ্গি এই কারসাজিতে জড়িত। জহর আহমেদ তোকর নামে এক জঙ্গির নামও জড়িয়েছে এই ঘটনায়। গতবছরই হিজবুল মুজাহিদিনে নাম লিখিয়েছিল তোকর। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ঔরঙ্গজেবকে অপহরণের জন্য নিজেদেরই একটি গাড়ি ব্যবহার করেছিল জঙ্গিরা।
[পবিত্র ইদে জম্মু-কাশ্মীরে জেল থেকে মুক্ত ১১৫ জন বন্দি]
ইদে বাড়ি ফেরার কথা ছিল ঔরঙ্গজেবের। কিন্তু দেহ ফিরল কফিনবন্দি হয়ে। শনিবার পুঞ্চে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় ঔরঙ্গজেবের। ঘরের ছেলেকে চোখের জলে শেষ বিদায় জানান কয়েকশো মানুষ। দেশের জন্যই প্রাণ দিয়েছেন ঔরঙ্গজেব, কাঁপা গলায় জানান তাঁর বাবা মহম্মদ হানিফ। জঙ্গিনিধনের কাজ জারি রাখার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকেও অনুরোধ জানান তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ