BREAKING NEWS

১২ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৯  শনিবার ২৮ মে ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

সেনার পরাক্রমকে ঢাল করে ভোট প্রচার নয়, নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের

Published by: Tanujit Das |    Posted: March 10, 2019 10:20 am|    Updated: March 10, 2019 10:26 am

 Don't use armed force in Political Campaigns, EC to parties

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে কোনও রাজনৈতিক দল সেনা বা সেনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তির ছবি পোস্টারে, হোর্ডিংয়ে বা লিফলেটে ব্যবহার করতে পারবে না৷ শনিবার এমনই নির্দেশিকা জারি করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন৷ ইতিমধ্যে কমিশনের তরফে এই বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কাছে৷ যেখানে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনী সীমান্তের রক্ষক৷ সেনাবাহিনী দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভিভাবক। গণতান্ত্রিক দেশে সেনা অরাজনৈতিক এবং নিরপেক্ষ একটি প্রতিষ্ঠান৷ সূত্রের খবর, এই নির্দেশিকার বিষয়টি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকেরও নজরে এনেছে কমিশন৷ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রককেও জানান হয়েছে৷

[জামাত-আইএসআই নিয়মিত যোগাযোগ, গোয়েন্দা রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য ]

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পাক ভূমিতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা৷ ওইদিন সাফল্যের সঙ্গে ফিরে এলেও, ঘটনাচক্রে ২৭ ফেব্রুয়ারি পাকসেনার হাতে বন্দি হন ভারতীয় বায়ুসেনার উইং কমান্ডর অভিনন্দন বর্তমান৷ দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর ভারতে ফিরে আসেন তিনি৷ শত্রুগড়েও অকুতভয় অভিনন্দনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ ভারতের চাপের কাছে নতিস্বীকার করে পাকিস্তানের অভিনন্দনকে মুক্তি দেওয়া, নিঃসন্দেহে নয়াদিল্লির কাছে একটা বড় জয়৷ জানা গিয়েছে, এই জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কৃতিত্ব বলে প্রচার করতে শুরু করেছে বিজেপির একাংশ৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ এবং উইং কমান্ডার অভিনন্দনের ছবি পাশাপাশি বাঁধিয়ে প্রচার করেছেন তাঁরা৷ সার্জিক্যাল স্ট্রাইক থেকে শুরু করে অভিনন্দনকে দেশে ফেরানো, সমস্ত ক্ষেত্রেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপিকে কৃতিত্ব দেওয়ার রেওয়াজ শুরু হয়েছে৷ খোদ রাজধানীর বুকে ছেয়ে গিয়েছে এমন পোস্টার৷ বিজেপির ছোট-বড় নেতা থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী-সহ অন্য মন্ত্রীরা, সকলেই বিভিন্ন প্রচার সভাতে সেনার পরাক্রমকে ইস্যু করছেন৷ ভাষণপর্বে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথা বারবার বলছেন৷

[সন্ত্রাস নয়, এই ইস্যুকেই লোকসভার আগে গুরুত্বপূর্ণ বলছে সাধারণ মানুষ]

যা নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্কও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে৷ রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে সেনাকে ব্যবহার করছে বিজেপি, এমনই অভিযোগ তোলা হয়েছে বিরোধীদের তরফে৷ প্রতিটি প্রচার সভাতে প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপিকে এই ইস্যুতেই আক্রমণ করছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এই সমস্ত রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের মাঝে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের শনিবারের বিজ্ঞপ্তি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল৷

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে