সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মদ্যপ অবস্থাতে হাসপাতালে পৌঁছলেন চিকিৎসক। সামনে অপারেশন টেবিলে শুয়ে ছটফট করছেন অন্তঃসত্ত্বা। মদ্যপ অবস্থাতেই চিকিৎসক বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই সন্তান প্রসব করাতে রত হলেন। আর তাতেই ঘটল বিপত্তি। জন্মের পরই মৃত্যু হল শিশুর। প্রাণ হারালেন মহিলাও। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ‘গুণধর’ চিকিৎসককে। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় দেশজুড়ে উঠেছে নিন্দার ঝড়।
[অশোধিত তেলের দামে রেকর্ড পতন, ফের পেট্রোপণ্যে শুল্ক বাড়াতে পারে কেন্দ্র]
ঘটনা গুজরাটের বোতাদ জেলার। পুলিশ সূত্রে খবর, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বোতাদের একটি সরকারি হাসপাতালে ভরতি হন বছর বাইশের কামিনিবেন চাঁচিয়া। গত সোমবার রাতে তাঁর প্রসব করান চিকিৎসক পি জে লখানি। অভিযোগ, সে সময় মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন তিনি। আর তারপরই ঘটে অঘটন। একে একে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন মা ও সন্তান। বোতাদের পুলিশ সুপার হর্ষদ মেহতা জানান, ডিউটিতে থাকাকালীন মদ্যপ অবস্থাতেই ছিলেন চিকিৎসক। ফলে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, তার গাফিলতিতেই মৃত্যু হয় সদ্যোজাত ও মহিলার। এই অভিযোগেই প্রথমে তাকে আটক এবং পরে মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সত্যিই মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন কিনা, তা নিশ্চিত হতে ইতিমধ্যেই চিকিৎসকের রক্তের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
[নাচতে নাচতে মঞ্চে মৃত্যু কিশোরীর, নেটদুনিয়ায় ভাইরাল শেষ মুহূর্তের ভিডিও]
কামিনিবেনের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে ভবনগর সিভিল হাসপাতালে। সেই তদন্ত রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই বিষয়টি বিস্তারিত খতিয়ে দেখবে পুলিশ। কীভাবে মদ্যপ অবস্থায় তিনি অপারেশন টেবিল পর্যন্ত পৌঁছে গেলেন, তা জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে যদি চিকিৎসকের গাফিলতি প্রমাণিত হয় সেক্ষেত্রে ভারতীয় দণ্ডবিধি মেনেই তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এমন ঘটনায় শোকের ছায়া কামিনিবেনের পরিবারে।
সর্বশেষ খবর
-
চাকরির ‘টোপ’ দিয়ে হাতানো জমিতে প্রাসাদ! জনতার বিক্ষোভে ‘গৃহবন্দি’ তৃণমূল নেতা
-
সরকারি বাড়ি পেতে নিজের তথ্য যাচাই করুন নিজেই! সাধারণের সুবিধার্থে নয়া অ্যাপ আনল রাজ্য
-
অভিনয় থেকে অবসর নিচ্ছেন অক্ষয়! ‘মৃত্যুর ৫ মিনিট আগে…’, কোন ইঙ্গিত খিলাড়ি কুমারের?
-
পুরুষসঙ্গীর প্রয়োজন পড়ে না, নিজেদের ক্লোন বানিয়েই লক্ষ বছর ধরে বংশরক্ষা এই আশ্চর্য মাছের
-
দিল্লিতে জন্ম, কোভিডে পরিযায়ী, পাঁচবারের বিশ্বজয়ী দলের জার্সিতে খেলবেন ‘ভারতীয়’ নিখিল!