সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গণেশ পুজো উপলক্ষে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই নিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। এবার সেই ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন প্রধান বিচারপতি। একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রীরা প্রধান বিচারপতিদের সঙ্গে দেখা করতেই পারেন। কিন্তু সেই সময়ে মামলা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয় না।
গত ১১ সেপ্টেম্বর দেশের প্রধান বিচারপতির বাড়িতে গণেশ পুজোয় যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী! এই ছবি ছড়িয়ে পড়তেই নানা রকম প্রশ্ন ওঠা শুরু করেছে সোশাল মিডিয়ায়। বিরোধীরা খোঁচা দিতে শুরু করে। প্রশ্ন উঠছে, সংবিধানের রক্ষাকর্তাকে ব্যক্তিগত পরিসরে শাসকের সঙ্গে একফ্রেমে দেখা কতটা শোভনীয়? বিরোধীদের মতে, এই ধরনের সাক্ষাৎ সংশয় তৈরি করেছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, এতে প্রধান বিচারপতির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কংগ্রেসকে পালটা দিয়ে মুখ খোলে বিজেপি। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি কে জি বালকৃষ্ণণের সৌজন্য সাক্ষাতের একটি ছবি পোস্ট করে তারা। বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা দাবি করেন, কংগ্রেসের আমলে এমন সাক্ষাৎ হলে বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠত না। কিন্তু মোদির বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে কংগ্রেস। তাতে হাত শিবিরের পালটা, ইফতারের মতো সার্বজনীন অনুষ্ঠান এবং একান্ত পরিসরে গণেশ পুজো- দুই জায়গায় সাক্ষাৎ একেবারেই আলাদা।
বিতর্কের পর মাসখানেক কেটে গিয়েছে। তার পর এই সাক্ষাৎ নিয়ে চন্দ্রচূড় বলেন, শীর্ষ আদালতের বিচারের প্রক্রিয়া এবং সুপ্রিম কোর্ট ও কেন্দ্রীয় সরকারের পদাধিকারীদের সম্পর্ক একেবারেই আলাদা। বেশ কয়েকটি রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী ও হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিরা উৎসবের মরসুমে সাক্ষাৎ করে থাকেন। কিন্তু এই সাক্ষাতের সঙ্গে বিচারপ্রক্রিয়ার কোনও যোগ নেই, সেটুকু বোঝার মানসিকতা থাকা প্রয়োজন। একান্তে দেখা মানেই সমঝোতা নয়, সেটা বুঝতে হবে।
সর্বশেষ খবর
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়
-
প্রাক বর্ষার বৃষ্টি উত্তরবঙ্গে, অস্বস্তির মাঝেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কলকাতা-সহ একাধিক জেলায়
-
সকালে টিকিট কেটে দুপুরে কোটিপতি! রাতারাতি ভাগ্যবদল যুবকের
-
পালাবদলে বাড়ছে শক্তি! আরএসএস শিক্ষক সংগঠনে একধাক্কায় ৩০ হাজার সদস্যবৃদ্ধি