১৫  আষাঢ়  ১৪২৯  শুক্রবার ১ জুলাই ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

ডিসকাউন্টের নামে দেদার লোক ঠকানো, ই-কমার্স সাইটগুলির রহস্য ফাঁস

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: December 27, 2017 2:12 pm|    Updated: December 27, 2017 2:12 pm

E-commerce sites selling fake goods: Report

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সদ্য দিওয়ালিতেই অনলাইনে কেনাকাটায় ভারতীয় ক্রেতারা ১৯ হাজার কোটি টাকা খরচ করেছেন। আরও একটি পরিসংখ্যান দিলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, ভারতে অনলাইন বাজার ঠিক কী হারে বাড়ছে? ২০১৭-র সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের মধ্যে মাত্র এক মাসে অনলাইন কেনাকাটার বাজার বেড়েছে ৪৫%।

[‘কুলভূষণের সঙ্গে পাকিস্তানে যোগ্য আচরণ’, সপা সাংসদের মন্তব্যে শোরগোল]

কিন্তু জানেন কি, তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের ফাঁক গলে কীভাবে যাবতীয় ই-কমার্স সাইট আপনাকে বোকা বানাচ্ছে? একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের অন্তর্তদন্তে উঠে এসেছে হাড় হিম করে দেওয়া এমনই সব তথ্য। ‘মেগা ডিলস’, ‘বাম্পার অফার’-এর নামে আপনাকে কী গছিয়ে দেওয়া হচ্ছে জানেন? অনলাইনে যে সমস্ত পোশাক বা স্পোর্টস শ্যু বিক্রি হয়, তার বেশিরভাগটাই নকল। স্রেফ নামীদামি ব্র্যান্ডের লোগো লাগিয়ে প্যাকেটে পুরে গ্রাহকদের গছিয়ে দেওয়া হয়। ধরা পড়লে লঘু আইটি আইনের সুযোগ নিয়ে ই-কমার্স সাইটগুলি দোষ চাপায় ইন্টার-মিডিয়েটদের উপর। কখনও যাঁরা পণ্যের ডেলিভারি করেছে তাঁদের উপর, কখনও আবার যাঁরা প্যাকিং করেছেন তাঁদের উপর দোষ চাপিয়ে দেয় ই-কমার্স সাইটগুলির মাথারা। অথচ, তাঁরাও বিলক্ষণ জানেন, কোন পণ্যটি আসল কোনটি নকল।

[বর্ষবরণের রাতে বিদেশি বেলি ড্যান্সারের মৌতাতে মাতবে তিলোত্তমা]

সম্প্রতি মীরাটের ব্রহ্মপুরীতে হানা দিয়ে স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন এরকম বহু নকল পণ্য উদ্ধার করেছে। যার মধ্যে বেশিরভাগই পোশাক ও স্পোর্টস শ্যু। এই সমস্ত নকল পণ্য ফ্লিপকার্ট, শপক্লুজ বা স্ন্যাপডিল-এর মতো নামী ই-কমার্স সাইটে বিক্রি হয়। নামী ব্র্যান্ডের পণ্যের স্টিকার নকল করে লাগিয়ে দেওয়া হয় স্থানীয় দোকান থেকে কেনা সস্তার পণ্যের গায়ে। পুলিশের জালে পড়ে বিক্রেতা মোহিত বন্ধু জানিয়েছে, কসকো বা নিভিয়া-র মতো নামকরা ব্র্যান্ডের স্টিকার লাগিয়ে বিভিন্ন খেলাধূলার পণ্য বিক্রি করা তাদের কাছে জলভাত। অভিযুক্ত নিজেই বলছে, ‘১৭০-২০০ টাকার পণ্য কিনে প্যাকেট করে নামী ব্র্যান্ডের স্টিকার লাগিয়ে অনলাইনে ৫০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। সেলের আগে পণ্যগুলির দাম বাড়িয়ে ১০০০ টাকা দেখানো হয়। এরপর সেলে সেগুলির উপর ৫০% ছাড় দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।’ অভিযুক্ত আরও জানিয়েছে, ‘নাইকি-র সোয়েটার থেকে পুমা’র জুতো- আসলে সবই স্থানীয় বাজার থেকে কেনা। খালি চোখে দেখলে আসল-নকলের ফারাক বোঝাই যাবে না।’ তাহলে বুঝেছেন তো, কী ভাবে সেলের নামে গ্রাহকদের বোকা বানাচ্ছে ই-কমার্স সাইটগুলি। প্রতিবেদনটি শেয়ার করে আপনার ‘শপ্যালকোহলিক’ বন্ধুদের জানিয়ে দিন।

[মোবাইল ফোনের রেডিয়েশনে ক্ষতি শরীরের, এই প্রথম মানলেন বিজ্ঞানীরা]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে