Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Tejashwi Yadav

তেজস্বীর দেখানো ভোটার কার্ড জাল! বিতর্কের মাঝেই লালুপুত্রকে নোটিস কমিশনের

জোড়া ভোটার কার্ড মামলায় বিপাকে তেজস্বী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২৫, ২০:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২৫, ২০:৪৩

options
link
তেজস্বীর দেখানো ভোটার কার্ড জাল! বিতর্কের মাঝেই লালুপুত্রকে নোটিস কমিশনের zoom
ফাইল ছবি

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত, নয়াদিল্লি: খসড়া ভোটার তালিকায় তাঁর নাম নেই বলে লালুপুত্র তেজস্বী যাদব যে দাবি করেছিলেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। এমনকী, যে ভোটার কার্ডটি দেখিয়েছিলেন বিহারের বিরোধী দলনেতা সেটির কোনও অস্তিত্ব নেই বলে দাবি করল নির্বাচন কমিশন। কেন একটি জাল ভোটার কার্ড দেখিয়ে এমন দাবি করেছেন তাও জানতে চেয়ে তেজস্বীকে নোটিস ধরাল কমিশন। ওই এপিক নম্বরের কোনও ভোটার কার্ডই নেই বলে দাবি কমিশনের। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপিও।

বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা নিয়ে বিতর্কের আবহে শনিবার তেজস্বী দাবি করেন, খসড়া ভোটার তালিকায় তাঁর নামই নেই। তাঁর নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে তিনি ভোটে লড়বেনই বা কী করে, আর ভোটই বা দেবেন কী করে। কমিশন অবশ্য তার কিছুক্ষণের মধ্যেই তেজস্বীর অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। তেজস্বী সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছিলেন, তাঁর ভোটার কার্ডের এপিক নম্বর আরএবি২৯১৬১২০। কিন্তু কমিশনের বক্তব্য, তেজস্বীর এপিক নম্বর আরএবি০৪৫৬২২৮। ২০৪ নম্বর বুথকেন্দ্র বিহার অ্যানিম্যাল সায়েন্স ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরি বিল্ডিং, ক্রমিক নম্বর ৪১৬-তে বিরোধী দলনেতার নাম রয়েছে। রবিবার কমিশন তেজস্বীকে যে নোটিস ধরিয়েছে, তাতে সে কথাই বলা হয়েছে। তেজস্বী যে ভোটার কার্ড প্রকাশ্যে এনেছিলেন, তা-ও দেখতে চেয়েছে কমিশন। কমিশন বলেছে, “প্রাথমিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে, এপিক নম্বর আরএবি২৯১৬১২০ কমিশনের কাছে নথিভুক্তই নয়। তাই আপনি দয়া করে আপনার ভোটার কার্ডটি আমাদের পাঠান, যে ভোটার কার্ডটি আপনি সংবাদমাধ্যমে দেখিয়েছিলেন। তা হলে আমরা ব্যাপারটা তদন্ত করে দেখতে পারি।”

Advertisement

প্রসঙ্গত, কমিশন জানিয়েছে, বিশেষ নিবিড় সংশোধনের প্রথম পর্বের শেষে বিহারে খসড়া ভোটার তালিকায় বাদ গিয়েছে ৬৫ লক্ষের বেশি নাম। তার পরে প্রথম ২৪ ঘণ্টায় রাজ্য জুড়ে কোনও আপত্তি বা আবেদন জমা পড়েনি। তেজস্বী নিজের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ তুললেও তা নিয়ে তিনি বা তাঁর দল আরজেডি শনিবার বিকেল পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানায়নি। স্বীকৃত ১২টি দলের মোট এক লক্ষ ৬০ হাজার ৮১৩ জন বুথ লেভল এজেন্টদের কেউই প্রথম ২৪ ঘণ্টায় কোনও অভিযোগ জানায়নি।

খসড়া তালিকা শুক্রবার ওয়েবসাইটে উঠে যাওয়ার পরে আগামী ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আপত্তি বা আবেদন জানানো যাবে। এই প্রক্রিয়ার সুবিধার জন্য রাজ্য জুড়ে বিশেষ শিবির খুলেছে কমিশন। নতুন ভোটারদের আবেদন করার ব্যবস্থাও রয়েছে। এসআইআর সম্পূর্ণ হলে ভোটার তালিকা ধরে নতুন পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। তার জন্য ভোটারদের ছবি জমা দেওয়ার আবেদনও করেছে কমিশন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.