Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

বহুতল থেকে ঝাঁপ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্রের, রেখে গেলেন আত্মহত্যার ভিডিও

সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৯, ১৬:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৯, ১৬:১৮

options
link
বহুতল থেকে ঝাঁপ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্রের, রেখে গেলেন আত্মহত্যার ভিডিও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এইভাবে আত্মহত্যা করতে হয়। আত্মহননের আগে ভিডিওতে আত্মহত্যার কায়দা শুট করে ১৯ তলা থেকে ঝাঁপ দিলেন এক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র।

ঘটনা মুম্বইয়ের। সোমবার বেলা ৩টে নাগাদ বাণিজ্যনগরীর একটি পাঁচতারা হোটেলে ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন অর্জুন ভরদ্বাজ নামের ওই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র। সমস্ত নথিপত্র দিয়েই হোটেলে চেক ইন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেদিনই সন্ধেয় আত্মহত্যার ঠিক আগের মুহূর্তে একটি ভিডিও শুট করেন ২৪ বছরের ওই ছাত্র। ভিডিওতে তিনি বলেন, “আমি মাদকাসক্ত। আর বাঁচার কোনও ইচ্ছে নেই। তাই পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছি।” সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেন তিনি। এরপরই ১৯ তলার হোটেল রুমের কাঁচ ভেঙে নিচে ঝাঁপ দেন। বিকট শব্দ শুনতে পান হোটেলকর্মীরা। হোটেলের বাইরের চত্বরে ছুটে এসে অর্জুনের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ফুটপাথে বসে জুতো সেলাই করেন, আয়করের নোটিস এল ১০ লক্ষ টাকার]

ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানায়, হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেখান থেকে জানা যেতে পারে ২৪ বছরের অর্জুনের সঙ্গে সেদিন কেউ দেখা করতে এসেছিল কিনা। হোটেলের ঘর থেকে একটি সুইসাইড নোটও পেয়েছে পুলিশ। যাতে আত্মহননের সিদ্ধান্তের জন্য বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন ভিলে পার্লে কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র অর্জুন।

[বন্ধ হোক গো-হত্যা, কেন্দ্রের কাছে আর্জি আজমের শরিফের প্রধানের]

অর্জুনের বাবা বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা। পুলিশকে তিনি জানান, সোমবার তিনিও মুম্বইতেই ছিলেন। তবে সেদিন ছেলের সঙ্গে দেখা হয়নি। দিন ছয়েক আগে দেখা করেছিলেন। সেই সময় ছেলেকে একেবারেই হতাশাগ্রস্থ মনে হয়নি। যদিও অর্জুনের এক বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, গত দু’সপ্তাহ ধরে গভীর হতাশায় ভুগছিলেন অর্জুন। বন্ধুকে বলেছিলেন, তিনি কোনও কাজের নন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, হতাশা থেকেই এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন ওই ছাত্র। মঙ্গলবার ছেলেকে শেষবারের মতো দেখতে মুম্বই পৌছেছেন অর্জুনের মা। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

সোমবার সন্ধেতে এই পোস্টটি করেন অর্জুন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.