Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Assam

রঞ্জন গগৈকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করতে পারে বিজেপি, দাবি অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

তরুণ গগৈয়ের দাবি ওড়ালেন প্রাক্তন বিচারপতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২০, ১৬:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২০, ১৬:২৯

options
link
রঞ্জন গগৈকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করতে পারে বিজেপি, দাবি অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অসমের (Assam) পরবর্তী মুখমন্ত্রী পদপ্রার্থী হতে চলেছেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন অসমের কংগ্রেস নেতা তরুণ গগৈ (Tarun Gogoi)। তাঁর কথায়, “রঞ্জন গগৈয়ের রাম মন্দির রায়ে বিজেপি খুশি। তারই পুরস্কার হতে পারে মুখ্যমন্ত্রী পদ।” যদিও কংগ্রেস নেতার এহেন দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচালপতি রঞ্জন গগৈ। তাঁর কথায়, “আমি বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী নই।”

সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ (Ranjan Gogoi)। তাঁর আমলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অযোধ্যা রাম মন্দির (Ram Mandir) মামলা। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দির গড়ার পক্ষেই রায় দেন। এরপর থেকেই রঞ্জন গগৈকে নিয়ে একের পর এক বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তিনি অসমের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হতে পারেন বলে দাবি করলেন উত্তর পূর্বের এই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

[আরও পড়ুন ; মাত্র ৭৩ দিনের মধ্যেই ভারতের বাজারে আসছে করোনার ভ্যাকসিন! দাবি প্রস্তুতকারীদের]

এ প্রসঙ্গে তরুণ গগৈ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমি আমার সূত্র মারফত খবর পেয়েছি রঞ্জন গগৈকে বিজেপি অসমের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার হিসেবে তাঁর নাম তালিকায় রয়েছে।” তরুণ গগৈয়ের দাবি, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি যদি রাজ্যসভার সাংসদ হতে পারেন তাহলে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হওয়ার প্রস্তাবেও তিনি সায় দিতে পারেন। এ প্রসঙ্গে অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ আরও বলেন, “সবই রাজনীতি। রঞ্জন গগৈয়ের রাম মন্দির রায়ে খুশি বিজেপি। এরপর তিনি ধীরে ধীরে রাজনীতিতে প্রবেশ করছেন। প্রথমে রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার জন্য রাজি হলেন। এরপর অসমের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসতে পারেন তিনি”। একইসঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, “সাংসদ মনোনীত হওয়ার জন্য কেন রাজি হলেন রঞ্জন, তিনি তো সহজেই মানবাধিকার কমিশনের চেয়্যারম্যান হতে পারতেন। তাঁর রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা আছে। তাই তিনি রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার প্রস্তাব মেনে নিয়েছেন।” তবে এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। তাঁর পালটা কটাক্ষ, “কেউ যদি রাজ্যসভার মনোনীত সদস্য আর নির্বাচিত সদস্যের মধ্যে পার্থক্য না বোঝে, সেটা দুর্ভাগ্যের। আমি মনোনীত সদ০স্য হতে রাজি হয়েছি, কারণ দলমত নির্বিশেষে নিজের দাবি রাজ্যসভায় পেশ করতে পারব।”

[আরও পড়ুন ; রাম মন্দির তৈরির বদলা নিতেই হামলার ছক ISIS জঙ্গির, বাড়ি থেকে উদ্ধার বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.