Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

রাম রহিমের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন মনমোহন

দাবি প্রধান তদন্তকারী সিবিআই আধিকারিকের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৯, ১৮:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৯, ১৮:০০

options
link
রাম রহিমের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন মনমোহন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  রাজনৈতিক মহলে নরম প্রকৃতির মানুষ হিসেবে পরিচিত তিনি। ইউপিএ জমানায় দুর্নীতি বা অন্য কোনও বিষয়ে বারবারই তাঁর বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত না নিতে পারার অভিযোগে সরব হত বিরোধীরা। কিন্তু, ধর্ষণের অভিযোগে ডেরা সাচা সওদা প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিংকে গারদে ঢোকতেই চেয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। পাঞ্জাব ও হরিয়ানার সাংসদদের একাংশের প্রবল  চাপে মুখে পড়েও রাম রহিমের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন তিনি। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে স্বাধীনভাবে অভিযোগের তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এমনটাই দাবি করেছেন ঘটনার প্রধান তদন্তকারী  সিবিআই আধিকারিক এম নারায়ণন।

[৩৮ জনের মৃত্যুর নেপথ্যে রাম রহিমের ‘লাল ব্যাগ’]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০০২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী  বাজপেয়ী, পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিদের কাছে চিঠি লিখে ডেরা প্রধান গুরমিতের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিলেন এক মহিলা। সেই চিঠি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, সিবিআই ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনেও পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু, হরিয়ানার এই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেয়নি কোনও পক্ষই। শেষপর্যন্ত ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্ট। গত শনিবার ধর্ষণের অভিযোগে গুরমিত রাম রহিম সিং-কে দোষী সাব্যস্ত করে সিবিআই আদালত। এরপরই গুরমিতের ভক্তদের তাণ্ডবে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় হরিয়ানার পাঁচকুলা। মৃত্যু হয় কমপক্ষে ৩৮ জনের। জখম তিনশোরও বেশি। হরিয়ানার অন্য অংশ তো বটেই, অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে পড়শি রাজ্য পাঞ্জাব, এমনকী রাজধানী দিল্লিতে।  দুটি পৃথক ধর্ষণের মামলায় ২০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা হয় এই ভণ্ড ধর্মগুরুর।

[পাপোশ তৈরির কাজ এড়াতে মাটিতে শুয়ে নাটক ধর্ষক ‘বাবা’র]

রাম রহিমকাণ্ডের প্রধান তদন্তকারী সিবিআই আধিকারিক  এম নারায়ণন বলেন, সিবিআইয়ের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। আইন মেনেই গোটা তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। ডেরার দু’জন সাধ্বী আদালতে যে বয়ান দিয়েছিলেন, তাও খতিয়ে দেখেন দেশের তখনকার প্রধানমন্ত্রী। প্রথম থেকেই এই ঘটনায় পাঞ্জাব ও হরিয়ানার বেশ কিছু সাংসদ কেন্দ্রীয় সরকারের উপর প্রবল চাপ তৈরি করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু, সেই চাপকে অগ্রাহ্য করেই গুরমিতের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন মনমোহন সিং।

[কয়েকশো সাধ্বীকে ধর্ষণ করেছে রাম রহিম, ফাঁস করলেন প্রাক্তন দেহরক্ষী]

বস্তুত, ডেরা সাচা সওদা প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিংয়ে আড়াল করতে নানা মহল থেকে যে চাপ আসছিল, দিন কয়েক আগে তা খোলাখুলি স্বীকার করেছিলেন রাম রহিম কাণ্ডের প্রধান তদন্তকারী আধিকারিক এম নারায়ণন।

[নারীসঙ্গ আর ভোগে মত্ত রাম রহিমের কেমন কাটছে জেলে?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.