Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Kenya

ভারতে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা করাতে এসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কেনিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের

কেনিয়ার প্রাক্তন রাষ্ট্রনেতার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০২৫, ১৬:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০২৫, ১৬:৩০

options
link
ভারতে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা করাতে এসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কেনিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বুধবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে কেনিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাইলা ওডিঙ্গার। কেরলের কোঠাট্টুকুলমে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার সময় মৃত্যু হয় তাঁর। জানা গিয়েছে, প্রাতঃভ্রমণের সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি।

৮০ বছরের ওডিঙ্গা কেরলে আসেন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার জন্য। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মেয়ে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। এক সপ্তাহ আগেই কেরলে আসেন তিনি। হাসপাতাল থেকে তাঁকে চিকিৎসার পাশাপাশি সকালে হাঁটার পরামর্শ দেওয়া হয়। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, সকাল ৬.৩০টা নাগাদ প্রাতঃভ্রমণের সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। তাঁকে দ্রুত শ্রীধরীয়াম আয়ুর্বেদিক চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কোঠাট্টুকুলমের দেবমাতা হাসপাতালে রাখা হয়েছে তাঁর দেহ।

Advertisement

ওডিঙ্গার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “আমার প্রিয় বন্ধু এবং কেনিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাইলা ওডিঙ্গার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। তিনি একজন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রনায়ক এবং ভারতের প্রিয় বন্ধু ছিলেন।” 

চার দশকের বেশি সময় ধরে কেনিয়ার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সেদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদও সামলেছেন ওডিঙ্গা। অরেঞ্জ ডেমোক্র্যাটিক মুভমেন্টের নেতা ওডিঙ্গা পাঁচবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়লেও একবারও জেতেননি। কেনিয়ায় বহুপাক্ষিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং নতুন সংবিধান প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।

দিল্লিতে অবস্থিত কেনিয়ার দূতাবাসের তরফ থেকে কেরল সরকার এবং হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কেনিয়া সরকারের তরফে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.